বিজ্ঞাপন

মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশে বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের প্রবাসীরা ফিলিস্তিনি ও নিজ নিজ দেশের পতাকা নিয়ে সংহতি জানান। বিক্ষোভকারীরা স্লোগানে স্লোগানে ইসরায়েলের বাহিনীর অবৈধ ও অমানবিক আচরণ এবং হামলার নিন্দা জানিয়ে ফিলিস্তিনের জনগণের প্রতি ভালোবাসা ও পূর্ণ সমর্থন জানিয়েছেন।

ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনের সম্মতিতে গত বৃহস্পতিবার রাতে যুদ্ধ বিরতি ঘোষণা কার্যকর করা হয়। এরপরও বিক্ষোভে ভাটা পড়েনি। বৈরী আবহাওয়া উপেক্ষা করে প্রবাসীরা এতে অংশ নেন। বিক্ষোভকারীরা গাজায় ইসরায়েলের হামলাকে ‘গণহত্যা’ হিসেবে আখ্যা দেন। বিক্ষোভকারীরা বিভিন্ন ভাষায় ‘ফিলিস্তিনকে মুক্ত করো’ নামাঙ্কিত পতাকা নিয়ে ‘ইন্তিফাদা বা গণজাগরণ দীর্ঘজীবী হোক’ বলে এ সময় স্লোগান দেন তাঁরা। বেশির ভাগ মানুষকে এ সময় ‘ফিলিস্তিনের সঙ্গে সংহতি’ ছাড়াও নানা প্ল্যাকার্ড বহন করতে দেখা যায়।

সমাবেশে বিক্ষোভ প্রদর্শন শেষে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে প্রবাসীরা বলেন, আল আকসা মসজিদ চত্বরে ঢুকে ইসরায়েলের পুলিশের বেধড়ক লাঠিপেটা, কাঁদানে গ্যাস এবং নির্বিচারে রাবার বুলেট ছুড়ে নিরীহ ফিলিস্তিনিকে হতাহত করেছে। এ হামলা মানবতার বিরুদ্ধে। গোটা বিশ্ব যখন করোনা মহামারিতে ক্লান্ত, তখন অবৈধ দখলদার ইসরাইল পবিত্র রমজানের মধ্যে আবারও দানবীয় রূপে আবির্ভূত হয়েছে। নিহত ব্যক্তিদের অধিকাংশই নারী ও শিশু। আর এ হত্যাযজ্ঞে সমর্থন করে আমেরিকাসহ পশ্চিমা কিছু দেশ।

১৪ মে বিক্ষোভ মিছিলের আয়োজন করা হয়েছিল জাপানের রাজধানী টোকিওতে। পবিত্র ঈদুল ফিতরের দিন টোকিওর শিবুইয়া এলাকায় ফিলিস্তিনের ওপর বর্বর হামলার প্রতিবাদে ওই বিক্ষোভ মিছিল হয়। বিক্ষোভকারীরা ‘ফ্রিডম ফর গাজা’ এবং ‘প্রোটেক্ট প্যালেস্টাইন’ লেখা প্ল্যাকার্ড লেখা নিয়ে শিবুইয়ায় বিক্ষোভ মিছিল করেন।

দূর পরবাস থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন