default-image

নলেজের সবচেয়ে বড় সোপান ‘নিজেকে জানো’। বিবলিকানরা এই ব্যাপারটা ভীষণ ভয়ের চোখে দেখে এবং নিরুৎসাহিত করে। সক্রেটিসকে তো মেরেই ফেলল। নিজেকে জানার পরিক্রমায় আত্মা উন্নত হয়। নিজেকে জয় করা—এটা বিশাল একটা ব্যাপার। এর মাঝেই সব এনার্জি, পজিটিভনেস। ভেড়ার পালের জন্য হয়েছে ‘আমাকে অনুসরণ করো’। আর বানরের জন্য হয়েছে ‘অনুকরণ করো’।

এগুলোতে যেটা হয়, দলবাজি। এখানে যাবে না, এটা খাবে না, এটা দেখবে না, এগুলোর ধারেকাছে যাবে না। ভয়ে দূরে থাকল দরজা বন্ধ করে।

আত্মা কী দেখল? কী পরখ করল? কিচ্ছু না। আত্মাকে ডুয়েল বা বিচরণ করাতে হবে।
সবচেয়ে কঠিন কাজ, লোভ সংবরণ করা।

এক তরুণ, বুয়েটে পড়ে বা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ে—সে সমাজ বদলের স্বপ্ন দেখে। দুর্নীতিকে ঘৃণা করে। সেই যখন পাস করে বের হয়, পয়সা রোজগারের অসীম সুবিধা দেখে। নিজের আত্মা বিক্রি করে দেয়।

নামাজ পড়ছি, হজ করে ফেলব। আল্লাহ মাফ করে দেবেন।
সুন্দরী মেয়ে সামনে এনে দাও, সে যদি তার পছন্দের টাইপ হয় রেজিস্ট করা হিম্মতের ব্যাপার।
সুযোগের অভাবে সবাই চরিত্রবান। নিজেকে চেনার কোনো সুযোগই নেই। সব সেট করা। যাকে দিয়ে কাজ হবে, তাকে হুজুর হুজুর করা। যে কাজে লাগবে না, তাকে উপেক্ষা করা। এই হলো মাস প্র্যাকটিস।
তা-ই না?

বিজ্ঞাপন
default-image

রাজপথে যে দল মানুষের জন্য রক্ত দিতে প্রস্তুত, পুলিশের বাড়ি খায়, পাওয়ার পেলে সে পাক্কা বিজনেসম্যান। দেশ বিক্রি করাও ব্যাপার না।

পয়সার ব্যাপারে বন্ধুরে প্রতারণা করাও বিবেকে বাধে না। হোস্টেলে হয়তো এক পিস মাছ ভাগ করে খাওয়া হয়েছে। সে নিজেরেই চেনেইনি তখন। সে কি নিজেকে চিনতে পারে? মানুষ, অভিজ্ঞতা, পরিবেশ, পরিস্থিতি, অ্যাকশন, রি-অ্যাকশন, প্রাচুর্য, পাওয়ার দিয়ে।

অনুসরণ করে নয়। বেঁধে রাখা আত্মা ক্ষুধার্ত অ্যালসেশিয়ান। বাঁধা ছাড়া সে কী করে সেটা দেখার বিষয়।

নিজেকে জানা, নিজেকে জয় করা বা আত্মা পরিষ্কার রাখার প্রসেসটা সবচেয়ে ইফেকটিভ।

লাভ ইয়োর সেল্ফ, লাভ ইয়োর ক্রিয়েটর। শরীর আর আত্মার যত্ন নিই।

মন্তব্য করুন