বিজ্ঞাপন

বিকেলে বিজয় দিবসের গুরুত্ব ও তাৎপর্য উপলক্ষে মিশনে এক আলোচনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। জাতির পিতা, জাতীয় চার নেতা ও মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে প্রথমে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। এরপর রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বিজয় দিবসের বাণী পাঠ করা হয় এবং আমন্ত্রিত অতিথিদের কয়েকজন দিবসটির গুরুত্ব ও তাৎপর্যের ওপর মুক্ত আলোচনায় অংশ নেন। শেষে হাইকমিশনারের সমাপনী বক্তব্যের মাধ্যমে আলোচনা অনুষ্ঠান শেষ হয়।

কোভিড-১৯ মহামারির পরিপ্রেক্ষিতে যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ ও সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে সব আয়োজন সম্পন্ন হয়। বক্তারা জাতির পিতা আর আমাদের মহান স্বাধীনতা ও বিজয় অর্জনে অবদান পালনকারী ব্যক্তিবর্গের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করে মুক্তিযুদ্ধ ও বিজয়ের চেতনায় দেশ গড়ার প্রতি গুরুত্ব আরোপ করেন। হাইকমিশনার তাঁর বক্তব্যের প্রথমেই সবাইকে মুজিব বর্ষের শুভেচ্ছা জানান। বিজয় উদ্‌যাপনের ক্ষণে তিনি জাতির পিতা, জাতীয় চার নেতা, মুক্তিযুদ্ধের শহীদ, মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযুদ্ধে ত্যাগ স্বীকার করা সব ব্যক্তির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা নিবেদন করেন। অর্থনৈতিক-সামাজিক-রাজনৈতিক ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারের অভূতপূর্ব সাফল্যের উল্লেখ করে তিনি বলেন, চূড়ান্ত বিজয়ের মাধ্যমে স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত হওয়াতেই এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর ভিশন ২০২১ ও ২০৪১ বাস্তবায়নে এবং বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠায় নিজ নিজ অবস্থান থেকে অবদান রাখার জন্য তিনি সবাইকে আহ্বান জানান। বিজ্ঞপ্তি

দূর পরবাস থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন