default-image

পর্তুগালে বাংলাদেশ দূতাবাসের উদ্যোগে গতকাল বুধবার (১৭ মার্চ) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিন ও জাতীয় শিশু দিবস পালন করা হয়। রাষ্ট্রদূত তারিক আহসান চান্সেরি প্রাঙ্গণে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে দিনের কর্মসূচির সূচনা করেন।

পর্তুগালে  বর্তমান জরুরি অবস্থা এবং বিধিনিষেধের কারণে লোকসমাগম সীমিত রাখার জন্য দূতাবাসের সব কর্মকর্তা-কর্মচারীকে নিয়ে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শ্রদ্ধা নিবেদন এবং উপস্থিত সবাইকে সঙ্গে নিয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিনের কেক কাটা হয়।

বঙ্গবন্ধুর জীবন ও কর্মের দৃষ্টান্ত নিয়ে আলোচনা সভায় উপস্থিত ব্যক্তিরা বঙ্গবন্ধুর স্বাধীন বাংলাদেশ গড়ার কৃতিত্ব সবার উদ্দেশে তুলে ধরেন। রাষ্ট্রদূত তারিক আহসান তাঁর বক্তব্যে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন এবং জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষে সব শিশু-কিশোরের প্রতি আন্তরিক অভিনন্দন জানান। রাষ্ট্রদূত বলেন, বাঙালির অধিকার আদায়ের আপসহীন সংগ্রামে বাঙালি জাতীয়তাবাদের বিকাশে আর প্রগতিশীল মূল্যবোধের অগ্রায়নে বঙ্গবন্ধু তাঁর সমগ্র সত্তাকে নিয়োজিত করেন। তিনি আরও বলেন, বঙ্গবন্ধু জন্ম নিয়েছিলেন বলেই আজ আমরা একটি স্বাধীন দেশের অধিবাসী এবং জাতি হিসেবে মেধা ও মননে  পরিপূর্ণরূপে বিকশিত হতে পারছি। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ধারণ করে তাঁর সুযোগ্য কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গতিশীল নেতৃত্বে বাংলাদেশ বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলায় পরিণত হবে।

বিজ্ঞাপন

অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে বঙ্গবন্ধুর ওপর রচিত কবিতা আবৃত্তি করা হয় এবং বঙ্গবন্ধুর জীবন ও কর্মের ওপর নির্মিত একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। পরিশেষে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং তার পরিবারের সদস্যরা ও বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের বাংলাদেশ বাস্তবায়ন করার জন্য দোয়া মোনাজাত করা হয়।

এর আগে বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন এবং জাতীয় শিশু দিবস উদযাপন করার জন্য বয়সভিত্তিক দুটি গ্রুপে প্রবাসী বাংলাদেশি শিশু-কিশোরদের অংশগ্রহণের একটি প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছিল। পর্তুগালে সরকারের বিধিনিষেধ থাকার কারণে বিজয়ী প্রতিযোগীরা উপস্থিত হতে না পারায় তাদের ঠিকানায় দূতাবাসের পক্ষ থেকে সনদ এবং উপহার পৌঁছে দেওয়া হয়।

দূর পরবাস থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন