default-image

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকীতে ঘোষিত মুজিব বর্ষ উপলক্ষে মরিশাসে বাংলাদেশ হাইকমিশন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বড় ছেলে মুক্তিযোদ্ধা শেখ কামালের ৭১তম জন্মদিন আনন্দমুখর পরিবেশে আয়োজন করে। এ উপলক্ষে দূতাবাস প্রাঙ্গণে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানের শুরুতে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা, কোভিডে মৃত্যুবরণকারী ব্যক্তিদের আত্মার মাগফিরাত ও অসুস্থ সব ব্যক্তির সুস্থতা কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

default-image

আলোচনা সভার শুরুতে শেখ কামালের বর্ণাঢ্য জীবনের ওপর যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় নির্মিত ভিডিও প্রদর্শন করা হয়।

হাইকমিশনার রেজিনা আহমেদ বক্তব্যের শুরুতে শেখ কামালের বর্ণাঢ্য জীবনের বর্ণনা দিতে গিয়ে বলেন যে শেখ কামাল ছিলেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর আদর্শে বলীয়ান এক অসাধারণ তরুণ। তিনি দেশমাতৃকার ডাকে সাড়া দিয়ে যোগ দেন বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে এবং হয়ে ওঠেন মুক্তিবাহিনীর অন্যতম সংগঠক। ছোটবেলা থেকেই শেখ কামালের খেলাধুলার প্রতি প্রচণ্ড আগ্রহ ছিল। ক্রীড়ানুরাগী হিসেবে তাঁর যথেষ্ট সুনাম রয়েছে এবং অতি অল্প সময়ে তিনি বাংলাদেশের ক্রীড়া অঙ্গনের প্রভূত অবদান রাখতে পেরেছিলেন। তিনিই ছিলেন আবাহনী ক্রীড়া চক্রের প্রতিষ্ঠাতা।

default-image

ক্রীড়া–অন্তঃপ্রাণ শেখ কামাল ক্লাবে ফুটবল ও ক্রিকেট খেলোয়াড় সৃষ্টি, বাছাই এবং অনুশীলনের জন্য বিদেশ থেকে প্রশিক্ষক নিয়ে এসেছিলেন। সংগীত ও নাট্যকলার প্রতিও তাঁর ছিল অদম্য আগ্রহ। তিনি ঢাকা থিয়েটার ও স্পন্দন ব্যান্ড দলের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন।

default-image

ক্রীড়াপ্রেমী শেখ কামালের স্মরণে উপস্থিত বাংলাদেশিদের নিয়ে ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয় এবং প্রতিযোগিতা শেষে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। সবশেষে শেখ কামালের জন্মদিন উপলক্ষে কেক কাটা হয় এবং জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি কর্তৃক নিবেদিত শেখ কামালের জন্মদিন উপলক্ষে বিশেষ প্রামাণ্যচিত্রও প্রদর্শন করা হয়। অতিথিদের বাংলাদেশি খাবার দ্বারা আপ্যায়ন করা হয়। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য পড়ুন 0