default-image

আমরা নিরুপায়, হতাশাগ্রস্ত, কোথায় যাব? কার কাছে সমাধান চাইব? বিদেশবিভুঁইয়ে আছি; সবাইকে ছেড়ে! যাদের জন্য এ বিদেশ, তারাই যদি শান্তিতে না থাকে, তবে কিসের জন্য পরদেশে এ ভিক্ষাবৃত্তি? কেন এই অনিদ্রা? আমরা শ্বাসরুদ্ধ, একটু নিঃশ্বাস ছাড়তে দিন। দয়া করে বাঁচান আমাদের দেশকে। দেশটা শুধু আপনাদের না। খেটে খাওয়া দিনমজুর, কৃষক-শ্রমিক এবং প্রবাসীদের পাঠানো টাকায় গড়া দেশ৷ আমাদের প্রিয় কিছু মানুষের অরাজকতা মেনে নেওয়া যায় না৷
গত রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসের প্রজাতন্ত্রের স্থানে PLACE DE LA RÉPUBLIQUE “বাংলাদেশের গণতন্ত্রকামী সচেতন নাগরিক সমাজ, ফ্রান্স”-এর ব্যানারে আয়োজিত এক প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তারা এসব কথা বলেন।
তারা সব দলের অংশগ্রহণের ভিত্তিতে নির্বাচনের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক সরকার ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা, বিচারবহির্ভূত হত্যা, গুম, জুলুম-নির্যাতন ও সব ধরনের নৈরাজ্য-সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে তাঁদের অবস্থানের কথা জানান। শত শত প্রবাসী বিভিন্ন ধরনের ব্যানার, ফেস্টুন ও প্ল্যাকার্ডসহ স্বতঃস্ফূর্তভাবে এ সমাবেশে অংশগ্রহণ করেন।
সৈয়দ সাইফুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তব্য দেন এম এ তাহের, মোহাম্মাদ আল আমিন, ফারুক ভূঁইয়া, হেনু মিয়া, জালাল খান, মিছবাহ আহমেদ, শ্যামল দাস, জুনায়েদ আহমেদ প্রমুখ ।

default-image

তাঁরা বলেন, আমাদের রক্ত পানি করা টাকা দেশে গেলেই তা কাগজে পরিণত হয়। নানা উৎকোচ, হুমকি-ধমকি এবং মুক্তিপণ দিতে দিতে আমরা আজ অতিষ্ঠ। নষ্ট রাজনীতিবিদেরা যত দিন সরবেন, তত দিন দেশে উন্নতি হবে না। রাজনীতিবিদদের উদ্দেশে বক্তরা বলেন, আপনাদের ছেলেমেয়েরা কোথায় কীভাবে জীবনযাপন করে আমরা জানি৷ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, রাষ্ট্রযন্ত্র, আমলা-মন্ত্রী ও সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন-ভাতা জনগণের কাছ থেকেই আসে৷ তাঁদের কথা আপনারা চিন্তা করুন। জনগণকে আপনারা বলির পাঁঠা বানাবেন না৷
সমাবেশ প্রবাসী বাংলাদেশিদের ভোটারাধিকারের দাবিও তোলা হয়।

বিজ্ঞাপন
দূর পরবাস থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন