default-image

সুন্দর বাংলাদেশ গড়তে প্রবাসী বিশেষজ্ঞদের ভূমিকা নিয়ে ফিনল্যান্ডের হেলসিংকিতে অনুষ্ঠিত হয়েছে প্রেজেন্টেশনধর্মী এক আলোচনা। অমর একুশে ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস সামনে রেখে বাংলাদেশ ডক্টরস প্ল্যাটফর্ম ইন ফিনল্যান্ড (বিডিপিএফ) এই আলোচনার আয়োজন করে।

গত রোববার স্থানীয় সময় সকালে ফিনল্যান্ডের ওডি হেলসিংকি সেন্ট্রাল পাবলিক লাইব্রেরিতে এই আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

আলোচনা অংশ নেন ফিনল্যান্ডের জাতীয় ভূমি জরিপের রিসার্চ ম্যানেজার মো. জাহিদুল হাসান ভূঁইয়া ও হেলসিংকি বিশ্ববিদ্যালয়ের ডসেন্ট (অ্যাডজ্যাংক্ট প্রফেসর) অসীম কর।

এক মিনিট নীরবতা পালনের মাধ্যমে ভাষাশহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর মধ্য দিয়ে আলোচনার সূচনা করেন বিডিপিএফের নির্বাহী কমিটির সভাপতি মো. মঞ্জুরে মওলা।

মো. জাহিদুল হাসান ভূঁইয়া আলোচনা করেন গ্লোবাল নেভিগেশন স্যাটেলাইট সিস্টেম ও তার প্রভাব নিয়ে। তাঁর আলোচনার বিষয় ছিল গ্লোবাল নেভিগেশন স্যাটেলাইট সিস্টেম অ্যান্ড ইটস ইমপ্যাক্ট অ্যান্ড এক্সপানশন টু আওয়ার সোসাইটি।

তিনি তাঁর পেশাভিত্তিক কাজের অভিজ্ঞতার আলোকে সুন্দর একটি বাংলাদেশ গড়ার ক্ষেত্রে ইউরোপে ব্যবহৃত লো-কস্ট ও অত্যাধুনিক গ্লোবাল নেভিগেশন স্যাটেলাইট সিস্টেম বাংলাদেশের ভূমি জরিপের ক্ষেত্রে ব্যবহার করার বিভিন্ন দিক ও তার উপকারিতা নিয়ে আলোচনা করেন।

তিনি বলেন, কর্মশালা আয়োজনের মাধ্যমে বাংলাদেশের সরকার এ ক্ষেত্রে তাঁর ও তাদের প্রতিষ্ঠানের সেবা নিতে পারে।

default-image

অর্থনীতিতে ডক্টরেট ডিগ্রি অর্জনকারী অসীম কর আলোকপাত করেন অর্থনৈতিক বিষয় নিয়ে। তাঁর আলোচনার বিষয় ছিল একাডেমিক জার্নি অব অ্যান ইকোনমিস্ট: পটেনশিয়াল ইমপ্যাক্টস অন রিসার্চ অন বাংলাদেশ।

তিনি মাইক্রোফাইন্যান্স নিয়ে তাঁর অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার বিভিন্ন দিক উপস্থাপনা করে বলেন, বাংলাদেশের একমাত্র নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কারণেই বর্তমানে বিশ্বের প্রায় ১৯০টি দেশ মাইক্রোফাইন্যান্স নিয়ে কাজ করছে। তিনি বাংলাদেশে মাইক্রোফাইন্যান্সের গবেষণার একটি নতুন দিগন্তের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন।

মাইক্রোফাইন্যান্স ইনস্টিটিউশনের (এমএফআই) মিসন ড্রিফট নিয়ে কাজ করলে মাইক্রোফাইন্যান্স তার অভীষ্ট লক্ষ্যে পোঁছাতে পারবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

দুই পর্বের আলোচনায় সঞ্চালকের ভূমিকা পালন করেন আলতো বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রভাষক গোলাম মো. সারওয়ার ও তাম্পেরে অ্যাপ্লায়েড বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রভাষক সাইদুল কাজী।

প্রশ্নোত্তর পর্বে অংশ নেন হেলাল চৌধুরী, শরিফ চৌধুরী ও শাহরিয়ার সাহাবুদ্দিন।

আলোচনা শেষে উপস্থিত সবাই একমত পোষণ করেন, প্রবাসী বিশেষজ্ঞরা সুন্দর বাংলাদেশ গড়ার ক্ষেত্রে গঠনমূলক ভূমিকা রাখতে পারেন। এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সরকারকে প্রবাসী বিশেষজ্ঞদের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগানোর পথকে সুগম করতে হবে।

আলোচনার শেষে বিডিপিএফের গেট টুগেদার আয়োজনের জন্য আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির নাম ঘোষণা করেন বিডিপিএফের নির্বাহী কমিটির সদস্য মুবিনুর রহমান। কমিটির আহ্বায়ক করা হয় শিপুল বড়ুয়াকে। সদস্যরা হলেন শাহ মো. কামরুল হাসান, সফিকুল আলম, কামাল উদ্দিন, শাহরিয়ার সাহাবুদ্দিন, মো. জাহিদুল হাসান ভূঁইয়া, রানা পারভেজ, এ এইচ এম সামসুজ্জোহা, সাইদুল কাজী ও মুবিনুর রহমান। বিজ্ঞপ্তি

বিজ্ঞাপন
দূর পরবাস থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন