বিজ্ঞাপন

বই হস্তান্তর উপলক্ষে আয়োজন করা হয় ভার্চ্যুয়াল অনুষ্ঠানের। সেখানে স্টকব্রিজ আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল স্কুল, দাভাও শাখার আন্তর্জাতিক প্রোগ্রাম পরিচালক মিজ মার্গারেথ লেম্যান ও জেনারেল সান্তোষ শাখার প্রধান মিজ জোনমেরি পানসালান এবং ব্রিলিয়ান্ট জুনিয়র স্কুলের উপদেষ্টা মিজ জুয়ানা রিভেরা তাঁদের স্কুলের শিক্ষার্থীদের বইগুলো উপহার দেওয়ার জন্য বাংলাদেশ দূতাবাসকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান। তাঁরা বলেন, আকর্ষণীয় এ বইগুলো বাংলাদেশের জাতির পিতার জীবন সম্পর্কে জানতে শিক্ষার্থীদের উদ্বুদ্ধ করবে। শিশু-কিশোরদের মধ্যে আকর্ষণীয়ভাবে এ মহান নেতার অনুকরণীয় গল্পগুলো তুলে ধরার দূতাবাসের এ প্রচেষ্টাকে তাঁরা স্বাগত জানান এবং স্কুলগুলোকে মুজিব শতবর্ষ উদযাপনের এ অনুষ্ঠানের অংশ করার জন্য তাঁরা দূতাবাসকে ধন্যবাদ জানান।

default-image

শুভেচ্ছা বক্তব্যে রাষ্ট্রদূত আসাদ আলম সিয়াম বঙ্গবন্ধুর প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করে বলেন, বঙ্গবন্ধু শিশুদের অত্যন্ত ভালোবাসতেন। স্বাধীনতার পর তিনিই বাংলাদেশে শিশু অধিকারের মূল আইনি ভিত্তি তৈরি করেন, যার ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশে আজ প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে শিশুদের শিক্ষা, টিকা প্রদান, বৃত্তি প্রদান, বই প্রদান ইত্যাদিসহ বহু উন্নয়নমূলক কার্যক্রমের উন্মেষ ও প্রসার ঘটেছে। তিনি আরও বলেন, জাতির পিতা শুধু বাংলাদেশ নয়, মুক্তি ও শান্তিকামী সব মানুষের অনুপ্রেরণা ছিলেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে ‘মুজিব’ বইটি ফিলিপিনো শিশুদের তাঁর জীবন সম্পর্কে জানতে ও তাঁর মতো হয়ে উঠতে আগ্রহী করে তুলবে।

default-image

পরে ‘মুজিব’ বইগুলো পড়ার জন্য একটা পাঠপর্ব অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে উপহার পাওয়া স্কুলশিক্ষার্থীরা গ্রাফিক নভেল ‘মুজিব’-এর প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় খণ্ড থেকে বিভিন্ন অংশ পড়ে শোনায়।

default-image

অনুষ্ঠানে মিন্দানাওয়ে নিযুক্ত বাংলাদেশের অনারারি কনসাল জেনারেল, স্কুলের শিক্ষক, অভিভাবক ও ছাত্রছাত্রীরা অংশগ্রহণ করে। বিজ্ঞপ্তি

default-image
দূর পরবাস থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন