বিজ্ঞাপন

রাষ্ট্রদূত রহমান কোভিড-১৯ মোকাবিলায় বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক গৃহীত বিভিন্ন কার্যক্রম সম্পর্কেও মহাপরিচালককে অবহিত করেন। এ ছাড়া তিনি মিয়ানমার সরকার কর্তৃক জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত ১১ লাখ রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর বাংলাদেশে অবস্থানের বিষয়টি তুলে ধরে দ্রুততম সময়ে এই সংকটের একটি গ্রহণযোগ্য সমাধানে জাতিসংঘকে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখতে অনুরোধ জানান।

স্থায়ী প্রতিনিধি জাতিসংঘের ৭৫ বছর পূর্তিতে উন্নয়ন, মানবাধিকার এবং বিশ্ব শান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠায় এ সংস্থার অসামান্য ভূমিকার প্রশংসা করেন। তিনি বর্তমান বিশ্ব পরিস্থিতিতে জাতিসংঘের প্রয়োজনীয়তা নতুন করে অনুভূত হচ্ছে বলে মন্তব্য করেন। তিনি বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় ধারাবাহিকভাবে অবদান রাখায় জাতিসংঘকে বিশেষ ধন্যবাদ জানান। একই সঙ্গে তিনি জাতিসংঘের প্রতি বাংলাদেশের অব্যাহত সমর্থনের কথাও পুনর্ব্যক্ত করেন।

মহাপরিচালক ভালোভায়া বাংলাদেশের নবনিযুক্ত স্থায়ী প্রতিনিধিকে আন্তরিক অভিনন্দন জ্ঞাপন করেন ও জেনেভায় স্বাগত জানান। তিনি বাংলাদেশের চলমান উন্নয়ন অভিযাত্রায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী নেতৃত্বের ভূয়সী প্রশংসা করেন। মহাপরিচালক কোভিড-১৯-পরবর্তী বিশ্বে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রাসমূহের বাস্তবায়ন অব্যাহত রাখার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন। তিনি বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধিকে তাঁর পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদানের আশ্বাস দেন।

পরিশেষে নবনিযুক্ত স্থায়ী প্রতিনিধি মহাপরিচালককে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী সম্পর্কে অবহিত করেন। তিনি এ উপলক্ষে আগামী বছরের মার্চে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশন কর্তৃক আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে মহাপরিচালক ভালোভায়াকে আমন্ত্রণ জানান।

default-image

এর আগে গত ২৩ সেপ্টেম্বর স্থায়ী প্রতিনিধি মো. মোস্তাফিজুর রহমান বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার সদর দপ্তরে সংস্থার উপমহাপরিচালক ই জিয়াওঝুনের কাছে তাঁর পরিচয়পত্র পেশ করেন। রাষ্ট্রদূত রহমান বর্তমান কর্মস্থলে যোগদানের আগে সিঙ্গাপুরে বাংলাদেশের হাইকমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
তথ্য: বাংলাদেশ দূতাবাস, জেনেভা, সুইজারল্যান্ড

দূর পরবাস থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন