দুই দেশের মন্ত্রী পর্যায়ের প্রথমবার এ দ্বিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকের শুরুতেই স্পেনের মন্ত্রী বাংলাদেশের রেলমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান এ বৈঠকে অংশ নেওয়ার জন্য। রেলমন্ত্রী নূরুল ইসলাম বাংলাদেশের সাম্প্রতিক অর্থনৈতিক অগ্রগতির চিত্র তুলে ধরার পাশাপাশি রেল খাতে নেওয়া বিভিন্ন পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন। এ ছাড়া তিনি স্পেনকে বাংলাদেশ রেলওয়েতে বিনিয়োগের আহ্বান জানান।

default-image

পরিবহনমন্ত্রী রাকেল সানচেজ খিমেনেজ বাংলাদেশের সাম্প্রতিক অর্থনৈতিক অগ্রগতির ভূয়ষী প্রশংসা করেন এবং বাংলাদেশের রেল সেক্টর সম্পর্কে আরও জানার আগ্রহ প্রকাশ করেন। নূরুল ইসলাম বাংলাদেশের রেল সেক্টর উন্নয়নে নেওয়া মহাপরিকল্পনার বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরেন। স্পেনের (ট্রান্সপোর্ট) পরিবহনমন্ত্রী রাকেল সানচেজ বাংলাদেশের রেল খাতে সহযোগিতার বিষয়ে তাৎক্ষণিক আগ্রহ প্রকাশ করেন এবং এটি শুরু করার জন্য একটি এমওইউ সাক্ষরেরও প্রস্তাব করেন। স্পেনস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসের কমার্শিয়াল কাউন্সেলর রেদোয়ান আহমেদ এ তথ্য জানান।

বৈঠকে ঢাকা-পায়রা বন্দর পর্যন্ত ২৬৪ কিলোমিটার রেলপথ নির্মানে বিনিয়োগ, বেশকিছু ভবিষ্যত প্রকল্প, স্পেনের বিশেষায়িত বিনিয়োগ স্কিমসহ (ফিয়েম লোন) দ্বিপক্ষীয় বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।

বৈঠকে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলে রেলমন্ত্রী নূরুল ইসলামের নেতৃত্বে উপস্থিত ছিলেন রেলসচিব মো. সেলিম রেজা, স্পেনে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ সারওয়ার মাহমুদ এনডিসি। স্পেনের মন্ত্রী রাকেল সানচেজ খিমেনেজের নেতৃত্বে উপস্থিত ছিলেন মিনিস্টারস কেবিনেটের ডিরেক্টর রিকার্ডো মার ও ইন্টারন্যাশনাল কেবিনেটের ডেপুটি ডিরেক্টর ডি বোরখা কোনদাদো।

default-image

বৈঠকে ঢাকা-পায়রা বন্দর পর্যন্ত ২৬৪ কিলোমিটার রেলপথ নির্মাণে বিনিয়োগ, বেশ কিছু ভবিষ্যৎ প্রকল্প, স্পেনের বিশেষায়িত বিনিয়োগ স্কিমসহ (ফিয়েম লোন) দ্বিপক্ষীয় বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।

রেলমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশের প্রতিনিধিদল মঙ্গলবার (৩০ নভেম্বর) সকালে স্পেনের রেলওয়ে অ্যাসোসিয়েশনের (মাফেক্স) আমন্ত্রণে রেললাইভ ২০২১ এক্সিবিশনে অংশগ্রহণ করে। প্রতিনিধিদলে রেলপথ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ভুবন চন্দ্র বিশ্বাস, রেলওয়ের অতিরিক্ত মহাপরিচালক মো. কামরুল আহসান, যুগ্ম সচিব মোহাম্মদ আতিকুর রহমান, উপসচিব মো. নাজমুল হক, মন্ত্রীর এপিএস রাসেদ প্রধান এবং মাদ্রিদ থেকে বাংলাদেশ দূতাবাসের কমার্শিয়াল কাউন্সেলর রেদোয়ান আহমেদ উপস্থিত ছিলেন। এদিন বিকালে মাদ্রিদ ফেয়ার গ্রাউন্ডে (ইফেমা) বাংলাদেশের রেল সেক্টর নিয়ে একটি ওয়ার্কশপ অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে বাংলাদেশের রেল সেক্টর নিয়ে আগ্রহী কোম্পানিগুলো অংশগ্রহণ করে।

দূর পরবাস থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন