বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এরপর প্রায় দুই বছর নজরদারিতে রাখার পর বাংলাদেশে বড় ধরনের জঙ্গি হামলার প্রস্তুতি নেওয়ার অভিযোগে আটক করা হয়েছিল তাঁকে। আজ সোমবার সব প্রমাণের ভিত্তিতে আদালত ৩০ বছর বয়সী নওরোজকে এই কারাদণ্ড প্রদান করে আদালত।

বাংলাদেশে পাঠানো নওরোজের যে বার্তার কারণে পুলিশ তাঁকে সন্দেহ করেছিল, সে বার্তায়, ‘নতুন রেস্টুরেন্ট চালু’ করা, এবং ‘রান্না শেখা’র কথা উল্লেখ ছিল। বাংলাদেশে পাঠানো তাঁর বার্তার একটি অংশ প্রকাশ করেছে আদালত। বার্তাটি ছিল, ‘অস্ট্রেলিয়ার পরিস্থিতি শিগগিরই খুব উত্তপ্ত হতে চলেছে, যদি আপনি জানেন আমি কী বলতে চাচ্ছি।…আমাকে যা করতে হবে, তা হলো কিছু রেসিপি রান্না করা শিখতে হবে। অস্ট্রেলিয়ায় আমাদের সেই জ্ঞান নেই। যদি আপনি এমন কাউকে চেনেন, যিনি আমাকে রান্না করতে শেখাতে পারেন…এক মাসের মধ্যে আমাকে কিছু রেসিপি নিয়ে ফিরে আসতে হবে…এখানকার ভাইয়েরা রেস্টুরেন্ট খুলতে প্রস্তুত।’

এ ছাড়া বাংলাদেশে আসতে চাওয়ার সময় নওরোজের কাছ থেকে একটি পেনড্রাইভ উদ্ধার করেছিলেন নিরাপত্তাকর্মীরা। তাতে আইএসের জঙ্গি হামলা সম্পর্কিত তথ্য পাওয়া যায়। এদিকে ২০১৭ সালে বাংলাদেশে গ্রেপ্তার সাদিয়া আমিন নামের এক নারীকে নিষিদ্ধ জঙ্গিগোষ্ঠীর সদস্য সন্দেহে আটক করে র‍্যাব। সেই নারী নওরোজ আমিনের স্ত্রী বলেও জানিয়েছিল র‍্যাব। নওরোজ রায়েদ আমিনের পৈতৃক নিবাস বাংলাদেশের কুমিল্লায় এবং মায়ের বাড়ি বরিশালে। সিডনির ইঙ্গেলবার্ন এলাকায় হারম্যান স্ট্রিটের বাড়িতে পরিবারের সঙ্গে বাস করতেন তিনি। ইঙ্গেলবার্নে তাঁর প্রতিবেশীরা নওরোজ সম্পর্কে বেশি কিছু না জানলেও তাঁর বাবা একজন নিপাট ভদ্রলোক বলে মন্তব্য করেছেন।

দূর পরবাস থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন