বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বাংলাদেশের আইটি খাতের সাফল্যের কথা তুলে ধরে রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশ থেকে আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে আইটি সেবা গ্রহণের অনুরোধ জানান। চেম্বারের মহাসচিব সৌদি আরবের চাহিদা অনুযায়ী বাংলাদেশের পণ্য আমদানিতে সহায়তার আশ্বাস দেন।
রাষ্ট্রদূত বিনিয়োগ ও ব্যবসা পরিচালনার জন্য বিদেশি বিনিয়োগকারীদের নানা রকম সুবিধার কথা উল্লেখ করে বাংলাদেশে বিনিয়োগের অনুরোধ জানান।

বিনিয়োগকারীদের জন্য বাংলাদেশ অত্যন্ত আকর্ষণীয় বিনিয়োগ গন্তব্য হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে বলে তিনি চেম্বারের মহাসচিবকে জানান।

চেম্বারের চেয়ারম্যানকে রাষ্ট্রদূত জানান, সম্প্রতি সৌদি আরব বিদেশিদের জন্য ব্যবসা নিবন্ধনের যে আইন করেছে, তা বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের জন্য এক অনন্য সুযোগ। এ আইন বাংলাদেশি অভিবাসী ব্যবসায়ীদের জন্য বৈধভাবে নিজ নামে ব্যবসা করার সুযোগ করে দিয়েছে, যা তাঁদের জন্য ব্যবসায়ের অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি করবে। চেম্বারের চেয়ারম্যান বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের সুবিধার্থে দূতাবাসের সঙ্গে নতুন আইন বিষয়ে আলোচনা করার আগ্রহ প্রকাশ করেন। এ ছাড়া বাংলাদেশি অভিবাসীদের নতুন ব্যবসা নিবন্ধন আইন বিষয়ে জানার জন্য সহায়তা প্রদানের আশ্বাস দেন।

default-image

রাষ্ট্রদূত সৌদি আরবের ভিশন ২০৩০ বাস্তবায়ন ও বাংলাদেশের ভিশন ২০৪১ বাস্তবায়নে দুই দেশের মধ্যে আগামী দিনে বিভিন্ন খাতে ব্যবসা–বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান জানান। তিনি দুই দেশের ব্যবসায়ীদের মধ্যে সফর আয়োজন ও ব্যবসা বাড়ানোর ক্ষেত্রে পারস্পরিক সুবিধাদি খতিয়ে দেখার আহ্বান জানান এবং এ ক্ষেত্রে দূতাবাস থেকে সর্বোচ্চ সহায়তার আশ্বাস দেন। সৌদি আরবকে বাংলাদেশের অকৃত্রিম বন্ধু উল্লেখ করে রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের ভিশন বাস্তবায়নে সৌদি আরবের ব্যবসায়ীদের সহায়তা কামনা করেন।

বৈঠকের আগে চেম্বার অব কমার্সের ভবন ঘুরিয়ে দেখানো এবং এর কার্যক্রম বিষয়ে রাষ্ট্রদূতকে অবহিত করা হয়। উল্লেখ্য, সৌদি আরবের পূর্বাঞ্চলের চেম্বার অব কমার্স উপসাগরীয় অঞ্চলের অন্যতম প্রাচীন প্রতিষ্ঠান। এ চেম্বারে প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার ব্যবসায়ী নিবন্ধিত রয়েছেন।

এ সময় দূতাবাসের ইকোনমিক কাউন্সেলর মুর্তুজা জুলকার নাঈন নোমান ও কাউন্সেলর মো. হুমায়ূন কবীর উপস্থিত ছিলেন। বিজ্ঞপ্তি

দূর পরবাস থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন