বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

বরাবরের মতো ব্রিসবেনের এবারের অনুষ্ঠানের মূল আয়োজক ছিল বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন ইন ব্রিজবেন (বিএবি)। সঙ্গে সহ-আয়োজক হিসেবে ছিল মাল্টিকালচারাল অস্ট্রেলিয়া এবং এমএলসি মুভমেন্ট ইন্টারন্যাশনালে ইনকরপোরেশন নামের দুটি সংস্থা। বিএবি কার্যনির্বাহী কমিটি সদস্যদের সঙ্গে একযোগে কাজ করেছেন মাল্টিকালচারাল অস্ট্রেলিয়ার প্রধান নির্বাহী ক্রিস্টিন ক্রেস্টলে এবং এমএলসি মুভমেন্ট ইন্টারন্যাশনালে ইনকরপোরেশনের যীশু দাশগুপ্ত। কয়েক বছর ধরেই বিএবি চেষ্টা করে যাচ্ছে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের তাৎপর্যকে বৃহত্তর বহু সাংস্কৃতিক জনগোষ্ঠী ও সম্প্রদায়ের মধ্যে ছড়িয়ে দিতে। আর এ-সংক্রান্ত সবকিছুতে থাকে অস্ট্রেলিয়া ও কুইন্সল্যান্ড সরকারের নানা পর্যায়ের ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে সম্পৃক্ত করার প্রচেষ্টা। এরই ধারাবাহিকতায় এ বছরের অমর একুশে ফেব্রুয়ারি উদ্‌যাপনে অতিথি হিসেবে ছিলেন দশজনের বেশি মন্ত্রী ও সাংসদ। আরও ছিলেন সরকারের অনেক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা ও জনপ্রতিনিধি।

default-image

অনুষ্ঠানের শুরুতে বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার জাতীয় সংগীত পরিবেশন করে ব্রিসবেনের বাংলা গানের স্কুল, সারগাম মিউজিক্যাল একাডেমির শিশু-কিশোরেরা।

default-image

তারপর একুশের গান ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি’র আবহ সংগীতের সঙ্গে অস্থায়ীভাবে স্থাপিত শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে ভাষাশহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানায় বিভিন্ন বাংলাদেশি সংগঠন। সর্বশেষ সাধারণ জনগণ শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে শহীদদের প্রতি তাদের হৃদয় নিংড়ানো ভালোবাসা ও বিনম্র শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করে। এসবের আগে ও পরে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের ওপর আলোচনা করেন অনুষ্ঠানের অতিথিরা। এই পুরো আয়োজন সম্পন্ন হয় ব্রিসবেন সিটি কাউন্সিলের সার্বিক তত্ত্বাবধানে। বিএবি সভাপতি মাসুম ইসলাম কুইন্সল্যান্ডে বসবাসরাত সব বাংলাদেশির পক্ষ থেকে ব্রিসবেনের মেয়র অদ্রিয়ান ও ব্রিসবেন সিটি কাউন্সিলকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।

default-image
দূর পরবাস থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন