বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ভারতের জেইনে প্রায় ৪৫০ বাংলাদেশি ও ৩০ দেশের শিক্ষার্থী পড়াশোনা করেন। পরীক্ষার ফলাফল ও সব ধরনের কার্যক্রমের জন্য তাঁকে সেরা শিক্ষার্থী হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। যদিও সেরা শিক্ষার্থীর নাম আগে থেকে ঘোষণা করা হয় না। গ্র্যাজুয়েশনের দিন নাম প্রকাশ করা হয়। এক এক করে সব ডিপার্টমেন্টের সেরা শিক্ষার্থীর নাম ঘোষণা চলছিল, যখন হাসিবের নামের সঙ্গে লাল–সবুজের ‘বাংলাদেশ’ শব্দটি উচ্চারিত হয়, তখন তাঁর ভীষণ আনন্দ হয়, অজান্তেই চোখ ভিজে ওঠে। এই ভালো লাগা কোনো ভাষায় কিংবা লেখায় প্রকাশ করা দায়।

ডিপার্টমেন্টে প্রথম হওয়ার ক্ষেত্রে যে বিষয়টি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে, তা হলো ক্লাসে নিয়মিত উপস্থিত থাকা। তার সব সময় ক্লাসে ৮০ শতাংশের ওপরে উপস্থিতি ছিল। যে বিষয়টা তাঁকে সবকিছুতে সাহায্য করেছে। এ ছাড়া ক্যাম্পাসের বিভিন্ন ক্লাবের সঙ্গে নিয়মিত যুক্ত ছিলেন তিনি। টানা দুই বছর পাবলিক স্পিকিং ক্লাবের প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব পালন করেছেন হাসিবুর রহমান। বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় ক্যাম্পাসকে প্রতিনিধিত্ব করেছেন। তাঁর সহশিক্ষা কার্যক্রমের জন্যও তাঁকে সম্মানিত করা হয়। এখন পর্যন্ত কয়েকটি আন্তর্জাতিক অনুষ্ঠানে বাংলাদেশকে প্রতিনিধিত্ব করেছেন তিনি। পড়াশোনার পাশাপাশি নিজের সংগঠন ‘হাসিব গ্রন্থাদির’ নিয়ে কাজ করছেন। যার মূল কাজ হচ্ছে বিদেশিদের বাংলা ভাষা শেখানো। এ পর্যন্ত ১০ দেশের ১৮ জন শিক্ষার্থীকে একটু একটু বাংলা শেখাতে সক্ষম হয়েছেন। তাঁর ইউটিউব চ্যানেলে ও পেজে ‘The Hasibur Rahman’ বিদেশিদের নিয়ে ভিডিও এবং সঙ্গে ট্রাভেল ব্লগ আপলোড করা হয়। এখন পর্যন্ত তাঁর চ্যানেলে প্রায় ৭০টির বেশি ভিডিও আছে।

default-image

হাসিবের কবিতা নিয়ে ২০১৮ সালে একুশে বইমেলায় বই প্রকাশিত হয়।হাসিবুর রহমান বলেন, ‘আমার এ সাফল্যের পেছনে মা–বাবার দোয়া ও ভাইয়া-আপুর সমর্থন এবং শিক্ষকদের অবদান অনেক বেশি। তাঁদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই। ভবিষ্যতে আরও অনেক কিছু করার ইচ্ছা আছে।’

দূর পরবাস থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন