বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

অনুষ্ঠান শুরু হয় জাতীয় সংগীত পরিবেশনার মধ্য দিয়ে। এরপর বিজয় দিবসের সুবর্ণজয়ন্তীর বর্ণাঢ্য এ আয়োজনে আমন্ত্রিত অতিথিদের শুভেচ্ছা জানানো হয়। আমন্ত্রিত অতিথিরা বাংলাদেশর স্বাধীনতা ও বিজয় দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে বক্তব্য দেন।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণার মাধ্যমে শুরু হয় পাকিস্তানি শাসকের বিরুদ্ধে সশস্ত্র যুদ্ধ। জাতির জনকের নেতৃত্বে বাঙালি হাজার বছরের পরাধীনতা থেকে মুক্তি লাভ করে। আজ আমরা স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদ্‌যাপন করছি। এটা আমাদের দেশের জন্য অনেক বড় একটি অর্জন।

default-image

অনুষ্ঠানের মূল আকর্ষণ ছিল সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। এতে নাচ, গান, আবৃত্তি পরিবেশন করেন একঝাঁক বাংলাদেশি শিক্ষার্থী। বিদেশের মাটিতে এমন চমৎকার আয়োজন দেশের প্রতিচ্ছবি হয়েই ফিরেছে শ্রোতা–দর্শকের হৃদয়ে। পুরো সময়টা সবাই খুব আনন্দে কাটিয়েছে। এমন সুন্দর একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করায় সবাই জেইন ইউনিভার্সিটিকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। শিক্ষার্থীরা আশা করছেন, এ বছরের মতো করে যেন ভবিষ্যতেও এমন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এ বছর আমাদের দেশের ৫০ বছর পূর্ণ হলো।

পৃথিবীর যে প্রান্তেই, আমরা বাস করি না কেন, দেশের ৫০ বছর পূর্তি আমাদের সবার মধ্যে অন্য রকম একটা ভালো লাগার বিষয়। সব প্রতিকূলতাকে অতিক্রম করে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর আমরা অর্জন করেছি একটি নতুন দেশ, পৃথিবীর মানচিত্রে আমাদের নতুন ঠিকানা ‘বাংলাদেশ’।

দূর পরবাস থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন