বিজ্ঞাপন
default-image

প্রথম আলোর সাবেক বিজনেস এডিটর ও কানাডার বাংলা পত্রিকা ‘নতুনদেশ’–এর প্রধান সম্পাদক শওগাত আলী সাগরের সঞ্চালনায় আলোচনায় অংশ নেন আমীরুল ইসলাম (প্রথম আলো, বাংলা ভিশন), এস এম বাবু (এটিএন বাংলা), কিশোয়ার লায়লা (বাংলা ভিশন), সঞ্জয় চাকী (চ্যানেল আই), গাজী সালাহউদ্দিন মাহমুদ (সময় টিভি), এম জেড ফেরদৌস (বৈশাখী টেলিভিশন), আসাদুজ্জামান আসাদ (প্রথম আলো) ও উজ্জল দাশ (প্রথম আলো)।

টরন্টোয় বসবাসরত বাংলাদেশের জাতীয় গণমাধ্যমের সাবেক সাংবাদিকেরা এই প্রথম সম্মিলিতভাবে কোনো আয়োজনে অংশ নেন।

default-image

বাংলাদেশের সাংবাদিকতার বর্তমান পরিবেশ এবং নিজেদের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে তাঁরা বলেন, সচিবালয়ের মতো সরকারি প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ একটি জায়গায় একজন নাগরিকের শারীরিক ও মানসিকভাবে নিগৃহীত হওয়ার ঘটনা কোনোভাবেই একটি দেশ ও প্রশাসন সম্পর্কে ভালো বার্তা দেয় না। তাঁরা বলেন, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নানা রকমের দুর্নীতির ঘটনা এবং দুর্নীতির খবর প্রকাশকারী সাংবাদিককে নিপীড়নের আইনানুগ বিচার না হলে দুর্নীতিকেই উৎসাহ দেওয়া হবে।

বক্তারা দেশের গণমাধ্যমের পেশাদারিত্বের ওপর গুরুত্ব আরোপ করে বলেন, দেশের অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার নিভু নিভু বাতির একমাত্র সলতে হিসেবে ভূমিকা রাখছিলেন প্রথম আলোর রোজিনা ইসলাম। নিপীড়নের মাধ্যমে তাঁকে দমিয়ে দেওয়া হলে দেশের অনুসন্ধানী সাংবাদিকতাই হারিয়ে যাবে। বক্তারা দেশের সাংবাদিকতাকে বাঁচানো এবং ভীতিহীন সাংবাদিকতার পরিবেশ নিশ্চিত করতে ঐক্যবদ্ধ ভূমিকা রাখার জন্য সাংবাদিকনেতাদের প্রতি আহ্বান জানান।

দূর পরবাস থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন