বিজ্ঞাপন

পরিচয়পত্র গ্রহণের পর পোপ ফ্রান্সিস নবনিযুক্ত রাষ্ট্রদূতগণের উদ্দেশে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেন। এ সময় তিনি চলমান করোনা মহামারি মোকাবিলায় সব জাতিকে পারস্পরিক সহযোগিতা, সহমর্মিতা, মানবতাবোধ ও ন্যায়বিচারের ভিত্তিতে বিশ্বব্যাপী সেবার সংস্কৃতি গড়ে তোলার আহ্বান জানান। তিনি শান্তিপূর্ণ, সহনশীল ও সৌহার্দ্যপূর্ণ সমাজ গঠনে তাঁর ব্যক্তিগত প্রয়াস ও সমর্থনের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন। এ ছাড়া তিনি অভিবাসন সংকট ও জলবায়ু পরিবর্তনের মতো বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আরও জোরালো ও কার্যকর পদক্ষেপ নিতে বিশ্বনেতাদের প্রতি আহ্বান জানান।

বক্তৃতা পর্ব শেষে পোপ ফ্রান্সিস রাষ্ট্রদূতদের সঙ্গে আলাদাভাবে কথা বলেন। রাষ্ট্রদূত মোস্তাফিজুর রহমান পোপকে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে শুভেচ্ছাবার্তা পৌঁছে দেন। এ সময় রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদ্‌যাপন, বাংলাদেশের স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তরণের স্বীকৃতি, আর্থসামাজিক উন্নয়নে বর্তমান সরকারের অর্জন ও কোভিড-১৯ মোকাবিলায় সরকারের বিভিন্ন সাফল্যের কথা তুলে ধরেন। তিনি রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে মিয়ানমারের সদিচ্ছার অভাবের বিষয়টি বিশেষভাবে উল্লেখ করেন এবং মিয়ানমারের ওপর আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের যথাযথ চাপ প্রয়োগের বিষয়ে পোপের সক্রিয় সহায়তা কামনা করেন।

নির্যাতন ও হত্যার কারণে মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের আশ্রয় ও অব্যাহত সহায়তা প্রদানের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদারতার ভূয়সী প্রশংসা করেন পোপ ফ্রান্সিস। এ সময় তিনি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর সাম্প্রতিক সাক্ষাৎগুলোর কথা উল্লেখ করেন। পোপ বাংলাদেশের অভূতপূর্ব উন্নয়ন–অগ্রযাত্রায় প্রধানমন্ত্রীর দূরদৃষ্টিসম্পন্ন নেতৃত্বেরও অকুণ্ঠ প্রশংসা করেন। তিনি তাঁর পক্ষ থেকে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীকে শুভেচ্ছাবার্তা পৌঁছে দিতে রাষ্ট্রদূতকে অনুরোধ করেন। বিজ্ঞপ্তি

দূর পরবাস থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন