default-image

উৎ​সবমুখর পরিবেশে আর বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে রাশিয়ার গণমৈত্রী বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫৫ বছর পূর্তি উদযাপিত হলো। ৭ ফেব্রুয়ারি শনিবার এ উপলক্ষে মস্কোর ক্রেমলিন প্যালেসে এক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের সব বিভাগের শিক্ষার্থীদের প্রাণবন্ত অংশগ্রহণে এটা ছিল নবীন-প্রবীণ শিক্ষার্থীদের মিলনমেলা। অনুষ্ঠানে অংশ নিতে বাংলাদেশ থেকে ৫ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল মস্কো আসে।
গণমৈত্রী বিশ্ববিদ্যালয়ের রেক্টর (উপাচার্য) ভ্লাদিমির ফিলিপভের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাশিয়ার জাতীয় সংসদের উচ্চকক্ষের স্পিকার ভ্যালেন্তিনা মাতভিয়েনকো। এ ছাড়া বিশেষ অতিথি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী ও বর্তমানে কাজাখস্তানের প্রধানমন্ত্রী কারিম মাসিমোভ।

default-image


প্রধান অতিথি বলেন, বিদেশিদের জন্য রাশিয়ায় উচ্চশিক্ষা লাভের যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে। রাশিয়ার উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতিটির আছে নিজস্ব ইতিহাস, ঐতিহ্য ও বিশেষত্ব। রাশিয়ায় এবং বহির্বিশ্বে গণমৈত্রী বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি আলাদা ভাবমূর্তি রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিকমানের শিক্ষার পরিবেশ এবং শিক্ষার্থীদের একে অপরের মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক তাদের ভবিষ্যৎ জীবনকে আরও প্রশস্ত করে গড়ে তুলতে সাহায্য করে।
অনুষ্ঠানে রাশিয়ার প্রধানমন্ত্রী দিমিত্রি মেদভেদেভে ও রাষ্ট্রীয় দুমার স্পিকার সের্গেই নারিশকিনের পাঠানো শুভেচ্ছা বার্তা পাঠ করে শোনানো হয়। বক্তব্য শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যয়নরত বিভিন্ন দেশের শিক্ষার্থীদের পরিবেশনায় মনোমুগ্ধকর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশন করা হয়।

default-image

উল্লেখ্য, রাশিয়ার ফেডারেল উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মর্যাদা পাওয়া এ বিশ্ববিদ্যালয়টি ১৯৬০ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের মন্ত্রিপরিষদের নির্দেশে মস্কো নগরে গড়ে তোলা হয়। প্রতিষ্ঠাকালে এর নাম দেওয়া হয়েছিল প্যাট্রিস লুমুম্বা গণমৈত্রী বিশ্ববিদ্যালয়। এ নামেই ১৯৯২ সাল পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটি পরিচিত ছিল। সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পর ১৯৯২ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় রাশিয়ার গণমৈত্রী বিশ্ববিদ্যালয়। বিশ্বের ১৫২টি দেশের শিক্ষার্থীরা এখানে পড়াশোনা করছেন। বর্তমানে এ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় ২৫ হাজার। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০০৫ সালে এ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সম্মানসূচক ডক্টর অব লজ ডিগ্রি লাভ করেন।

বিজ্ঞাপন
দূর পরবাস থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন