বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

বিশ্ববিদ্যালয়ের বারটেন্ডার ছিলেন

কার্ল মার্ক্স বিশ্ববিদ্যালয়ে (বর্তমান লিপজিপ বিশ্ববিদ্যালয়) পদার্থবিদ্যা অধ্যয়নকালে ম্যার্কেল ছাত্র ডিসকোতে বারমিডের পক্ষে কাজ করেছিলেন। তিনি নিজে একটি অনুষ্ঠানে এ কথা জানান।

বার্লিন প্রাচীরের পতন উদযাপন

১৯৮৯ সালের নভেম্বর, বার্লিন প্রাচীরের পতনের পর জার্মানিতে ৪০ বছরের কমিউনিস্ট শাসনের সমাপ্তি ঘটে। ৩৫ বছর বয়সী ম্যার্কেল বার্লিন প্রাচীর পতনের রাতে প্রচুর আনন্দ উপভোগ করেছেন।

প্রথম স্বামীর নাম মোছেননি

ম্যার্কেল কাসনার জন্মগ্রহণ করেছিলেন ১৯৫৪ সালে। কার্ল মার্ক্স বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময়ে ১৯৭৭ সালে পদার্থবিজ্ঞানী উলরিচ ম্যার্কেলের সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে তিনি আঙ্গেলা ম্যার্কেল হন। এই বিয়ে প্রায় পাঁচ বছর স্থায়ী হয়েছিল। বিবাহবিচ্ছেদের পর তাঁর প্রথম নামটি ফিরিয়ে দেওয়ার পরিবর্তে ম্যার্কেল তার পর থেকে তাঁর প্রথম স্বামীর নাম রাখেন। ম্যার্কেলের দ্বিতীয় স্বামী জোয়াচিম সৌর বার্লিনের হাম্বল্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এবং প্রচারবিমুখ একজন মানুষ। তিনি ২০০৩ সালে চ্যান্সেলর হিসেবে ম্যার্কেলের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অংশ নেননি। জার্মান মিডিয়া তাঁকে ‘দ্য ফ্যান্টম অব দ্য অপেরা’ বলে ডাকে।

default-image

দক্ষ রাষ্ট্রনায়ক নন শুধু, রান্নায়ও সমান দক্ষ

ম্যার্কেল তাঁর রান্নার দক্ষতায় খুব গর্বিত বলে জানা গেছে এবং বিশেষত বিভিন্ন ধরনের কেক বানান তিনি। বার্লিনে নিয়মিত সুপারমার্কেটে শপিং করেন। তিনি একবার নাইজেরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট গুডলাক জনাথনকে বলেছিলেন, তিনি প্রতিদিন সকালে তাঁর স্বামীর জন্য প্রাতরাশ তৈরি করেন।

বাবার কথা হৃদয়ে গাঁথা

১৯৯৫ সালে ম্যার্কেলকে কুকুর কামড়ানোর পর থেকে ম্যার্কেল কুকুর মারাত্মক ভয় পান। অভিযোগ করা হয়েছে, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন চ্যান্সেলরকে ভয় দেখানোর উদ্দেশ্যে একটি অনুষ্ঠানে বড় পোষা কুকুরটি এনেছিলেন। তিনি একদিন পুতিনকে তার বাবার একটি ঘটনা বলেন। তিনি জানান, ‘একদিন রাতে আমার পিতা পোষা কুকুর নিয়ে রাস্তায় বের হয়ে দেখতে পান, রাস্তায় একজন পিতা তাঁর বাচ্চাকে নিয়ে না খেয়ে শুয়ে আছেন। “মানুষ না খেয়ে শুয়ে আছে, আর আমি কুকুর লালন করি।” কুকুর লালন এক ধরনের বিলাসিতা ছাড়া আর কিছু নয়। আমার বাবার বিষয়টি আমাকে খুব নাড়া দেয়।’

দূর পরবাস থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন