বিজ্ঞাপন
default-image

তবে মানুষের অভাব অনটনের ক্রান্তিকাল একই সুতায় গাঁথা। ইতিহাস বলে, ১৩৫০ সালে পুরোপুরি খাদ্যের একটা অভাব জনজীবনে এসে পড়ে, যা ইতিহাস হিসেবে মনে রেখেছে বাংলাদেশ। তবে ২০১৯ সাল থেকে ধীরে ধীরে করোনার থাবা এমনভাবে পড়ছে। গোটা বিশ্ব এখন খাদ্যের অভাবের দিকে এগোচ্ছে, এর অন্যতম আরেকটি কারণ মানুষের কর্মস্থল দিনদিন বন্ধ হতে চলেছে। বেকারের সংখ্যা অভাবনীয়ভাবে বাড়তে শুরু করেছে। বিভিন্ন দেশের সরকারপ্রধানেরা তাঁর দেশের নাগরিকদের সহায়তা দিতে হিমশিম খাচ্ছে। ইতালিতেও করোনার প্রাদুর্ভাব এমনভাবে পড়ছে, সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী জুসেপ্পে কোন্তি স্বেচ্ছায় ক্ষমতা ছেড়ে দিতে বাধ্য হন।

ঘরে ঘরে বেকার মানুষের জীবনকে দুর্বিষহ করে তুলেছে। করোনার কারণে ঘরে বসিয়ে সরকারের পক্ষে অভিবাসীসহ প্রায় আট কোটি মানুষকে খাদ্যসহায়তা দেওয়া অসম্ভব, তাই রাষ্ট্র পরিচালনা অনেক কঠিন হয়ে পড়েছে। তবু থেমে নেই ইতালির পথচলা।

default-image

এবার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে রাষ্ট্রের হাল ধরেছেন মারিও দ্রাঘি। পেশায় একজন সফল ব্যাংকার। তিনি ২০১১ থেকে ২০১৯ পর্যন্ত ইউরোপের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সভাপতি ও ব্যাংক ইতালির গভর্নর হিসেবে ২০০৬ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন। করোনার এই মহামারিতে তিনি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন।

দূর পরবাস থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন