default-image

অস্ট্রেলিয়ার সিডনিসহ নিউ সাউথ ওয়েলস রাজ্যের আবহাওয়া আগামীকাল বুধবার থেকে স্বাভাবিক হওয়া শুরু করতে পারে। দেশটির আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, যদিও আগামী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়া খুবই সংকটপূর্ণ, তবে আবহাওয়া ভালো হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। এদিকে প্রায় এক সপ্তাহের টানা ভারী বৃষ্টিপাতে রাজ্যজুড়ে বন্যা পরিস্থিত দেখা দিয়েছে। ‘১০০ বছরে ১ বার’ ধরনের বন্যা বলা হচ্ছে এ বন্যাকে। কেননা এ বন্যা পরিস্থিতি দেশটির ১৯৬১ সালের বন্যাকেও ছাড়িয়ে গেছে। বন্যার পানি বাড়ছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। অন্যদিকে অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে বসবাসরত বাংলাদেশিরা নিরাপদে আছেন। দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় কারও ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি।

আজ মঙ্গলবার পর্যন্ত রাজ্যের বন্যাকবলিত এলাকা ওয়েস্টার্ন সিডনি থেকে ৩ হাজার এবং মিড নর্থ কোস্ট থেকে প্রায় ১৫ হাজার বাসিন্দাকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। আজ রাজ্যের মোর এলাকার বাসিন্দাদের যেকোনো সময় বাড়ি ছাড়ার প্রস্তুতি রাখতে বলা হয়েছে। এ ছাড়া প্রায় ১৩০টি স্কুল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এর আগে গত শনিবার সকালে সিডনির চেস্টার হিল এলাকায় এক স্বল্পমাত্রার ঘূর্ণিঝড় আঘাত হানে। বৃষ্টির পানির সঙ্গে রাজ্যের মেনিং নদীর পানিও জনপদে ঢুকে পড়ে বন্যার আধিপত্য বৃদ্ধি করছে। রাজ্যের বিভিন্ন প্রধান সড়ক ইতিমধ্যে বন্যায় বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে প্যারামাটা, বেক্সলে, ম্যাকুইর স্ট্রিট, প্যাসিফিক মহাসড়কসহ আরও অনেক সড়কই রয়েছে।

এ ছাড়া বন্যার আতঙ্কে বাড়তি শঙ্কা হয়ে দাঁড়িয়েছে রাজ্যের ওয়ারাগামবা বাঁধ। সিডনির অন্যতম প্রধান পানির উৎস এই বাঁধটি। তবে অতিরিক্ত বৃষ্টির কারণে বাঁধের পানি উপচে পড়ে যাচ্ছে। বাঁধ কর্তৃপক্ষ মনে করছে, বাঁধ রক্ষায় যেকোনো সময় পানি ছাড়তে হতে পারে। ফলে, বন্যা আরও বেড়ে যাওয়া এবং পরবর্তী সময়ে সিডনির পানির জোগানে ঘাটতি দেখা দিতে পারে।

তবে সিডনির মূল শহরের আশপাশে দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার আতঙ্ক রয়েছে কিন্তু কোনো বন্যা বা দুর্যোগে কবলিত হয়নি। সবকিছু স্বাভাবিক রয়েছে। এখন পর্যন্ত কোনো প্রবাসী বাংলাদেশি দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি।

বিজ্ঞাপন
দূর পরবাস থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন