প্রবাসে কবিগুরুকে শ্রদ্ধা জানানোর পাশাপাশি নতুন প্রজন্মের কাছে আরও বেশি নোবেল বিজয়ী বাঙালি কবিকে পরিচয় করিয়ে দিতে নানা বয়সের বাংলাভাষী দর্শকেরা সত্যিকারের উৎসবেই যেন মেতে ছিলেন সেদিন। পাশাপাশি বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত স্থানীয় কাউন্সিলররা, বিভিন্ন রাজনৈতিক-সামাজিক সংগঠনের নেতারা, সাংবাদিকেরাও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

‘আজি প্রণমি তোমারে চলিব নাথ’ গানের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের শুভসূচনা হয়। অনুষ্ঠানের একটি বিশেষ দিক ছিল নতুন প্রজন্মের বাচ্চাদের পরিবেশনায় গান, নাচ এবং তাদের রবীন্দ্রনাথকে নিয়ে নিজস্ব অভিমত প্রকাশ। সেই সঙ্গে বিশিষ্ট ব্যক্তিদের মতপ্রকাশে উঠে এসেছে কীভাবে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর অনবদ্য সৃষ্টির মাধ্যমে যুগ যুগ ধরে বাঙালির হৃদয়ে জাগ্রত আছেন এবং থাকবেন।

default-image

পুরো আয়োজনকে আরও বেশি উপভোগ্য করে তুলেছিল অনুষ্ঠানের মঞ্চসজ্জা, রবীন্দ্র রচনা সমগ্র, গ্রামোফোন ও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছবিসংবলিত বিশেষ রবীন্দ্র-কোণ। নারী দর্শকদের সবাই সেজেছিলেন উপন্যাসে পড়া রবীন্দ্র নায়িকাদের মতো সেই চিরাচরিত সাজে। সবশেষে ‘এসো হে বৈশাখ’ গানের মাধ্যমে নতুন বছরকে আবাহন জানিয়ে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের পরিসমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

দূর পরবাস থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন