বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

গত বছর করোনা মহামারি রূপ ধারণ করার পর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ শনাক্তের ঘটনা এটি। এমন সময় সংক্রমণ রোধে চলমান স্বাস্থ্যবিধি ও বিধিনিষেধ আরও কঠিন করা হচ্ছে। নতুন প্রায় ৬০ আক্রান্ত ব্যক্তি সিডনির ফেয়ারফিল্ড এলাকার বাসিন্দা বলে সতর্ক করেছে স্বাস্থ্য বিভাগ। তাই ওই এলাকার বাসিন্দাদের পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত চলাফেরা নিষিদ্ধ করা হয়েছে। শুধু স্বাস্থ্যকর্মীরা কর্মস্থলে যেতে পারবেন। এ ছাড়া সিডনির অন্যান্য এলাকায় অত্যন্ত জরুরি প্রয়োজন ছাড়া ঘর এবং নিজ কাউন্সিলের বাইরে না যাওয়ার আদেশ জারি রয়েছে।

করোনা পরিস্থিতি নিয়ে ‘আফসোসহীন নীতি’ গ্রহণ করতে চান রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী গ্ল্যাডিস বেরেজিক্লিয়ান। তিনি বলেন, ‘পরিস্থিতি সামাল দিতে প্রয়োজনে এমন কঠোর নীতিমালা গ্রহণ করা হবে, যেন পরবর্তীকালে আমাদের কোনো আফসোস না থাকে। তবে আমরা একসঙ্গে কাজ করলে সুফল পাব।’

অন্যদিকে, অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী বাংলাদেশিরা করোনাভাইরাস থেকে নিরাপদে আছেন। এখন পর্যন্ত কোনো বাংলাদেশি আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি। তবে প্রবাসী বাংলাদশি অধ্যুষিত মিন্টু, ক্যাম্পবেলটাউন এলাকার সুয়ারেজে কোভিড ১৯–এর জীবাণু পাওয়া গেছে। তাই ওই সব এলাকার বাসিন্দাদের অধিকতর সতর্কতা অবলম্বন করতে নির্দেশ দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

দূর পরবাস থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন