বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

গত ২০ আগস্ট মাদ্রিদপ্রবাসী নেছারুল্লাহ হামিদকে বাংলাদেশের বিমানবন্দর থেকে ফেরত পাঠানোর ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়েছেন প্রবাসীরা। করোনাভাইরাসের আরটি–পিসিআর সনদ থাকা সত্ত্বেও দেশে ঢুকতে না পারার ঘটনায় সমালোচনার মুখে পড়ে দায়িত্বশীলদের ভূমিকা। আর এ ঘটনার কারণে গ্রীষ্মের ছুটিতে অনেক প্রবাসী পরিবার–পরিজন নিয়ে বাংলাদেশে যাওয়ার পরিকল্পনা বাতিল করেছেন বলে জানা গেছে। আমদানিকারী দেশের তালিকায় স্পেন ষষ্ঠ। ইতিমধ্যে ৭২ শতাংশ নাগরিককে টিকা দিয়েছে স্পেন, যা ইউরোপে সর্বোচ্চ। তারপরও স্পেনকে কালো তালিকাভুক্ত করায় হতাশ হয়েছেন অনেকে।

ইতালি ভ্রমণে বাংলাদেশিদের নিষেধাজ্ঞা থাকলেও স্পেন সরকার এমন কোনো নিষেধাজ্ঞা কখনো আরোপ করেনি। ইউরোপের মধ্যে শুধু স্পেনের সঙ্গে এ রকম অপেশাদার আচরণে হতাশ ও ক্ষুব্ধ প্রতিক্রয়া জানিয়েছেন কমিউনিটি নেতারা।

এ বিষয়ে দূতাবাসের প্রথম সচিব মুতাসিমুল ইসলাম বলেন, এ সমস্যা সমাধানের জন্য দূতাবাস কাজ করছে। শিগগিরই সমস্যাটির সমাধান হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন স্পেনের সভাপতি কাজী এনায়েতুল করিম তারেক বলেন, ‘বর্তমান ডিজিটাল যুগে বাংলাদেশের সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর এ রকম সিদ্ধান্ত আমাদের হতাশ করেছে। আমরা প্রত্যাশা করি, শিগগিরই তাদের আরোপিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে নেবে।’ বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি এইচ এম রাসেল হাওলাদার জানান, সরকারের উচিত স্প্যানিশ বিনিয়োগকারীদের প্রতি এ রকম আচরণ না করে বরং বন্ধুসুলভ আচরণ করা।

বিমানবন্দরে প্রবাসী বাংলাদেশিদের হয়রানি বন্ধ করে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন স্পেনের সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান।

দূর পরবাস থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন