বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

গত ২৮ এপ্রিল মিশনের বিজ্ঞপ্তি থেকে জানা যায়, প্রাথমিকভাবে যে সেবাগুলো প্রবাসীরা নিতে পারেন, তার মধ্যে এমআরপি রি-ইস্যু, মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট, মেশিন রিডেবল ভিসা, জন্মসনদ, ট্রাভেল পারমিট, বিভিন্ন ডকুমেন্ট প্রত্যয়ন, সত্যায়ন প্রভৃতি প্রবাসীদের দোরগোড়ায় সহজতর উপায়ে পৌঁছে দেওয়ার প্রত্যাশাই এ ভ্রাম্যমাণ কনস্যুল সেবা।

বাংলাদেশ স্থায়ী মিশন কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ৭ মেতে ১৮০ প্রবাসী বিভিন্ন সেবা গ্রহণ করেছেন। বাংলাদেশ স্থায়ী মিশন থেকে প্রতিনিধি হিসেবে জুরিখে গিয়েছেন প্রথম সচিব (শ্রম) কামরুল ইসলাম, দ্বিতীয় সচিব আবদুল্লাহ আল ফরহাদ, প্রশাসনিক কর্মকর্তা খায়রুল আমিন।

default-image

প্রবাসীরা মিশনের এ কার্যক্রমকে অত্যন্ত ইতিবাচক দৃষ্টিতে দেখছেন। কারণ, দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত ছিল এ চাওয়া এবং উৎসবমুখর পরিবেশেই ওনারা মিশনের সেবা গ্রহণ করেছেন।

বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনের রাষ্ট্রদূত মো. মুস্তাফিজুর রহমান তাঁর আন্তরিক প্রচেষ্টায় প্রবাসীদের দোরগোড়ায় কনস্যুলার সেবা পৌঁছে দিতে পেরে অত্যন্ত আনন্দিত। বাংলাদেশ স্থায়ী মিশন, জেনেভার কার্যক্রমে এ সেবার উদ্বোধন মাইলফলক হিসেবে কাজ করবে বলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মনে করছেন।

দূর পরবাস থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন