স্থায়ী দূতাবাস কমপ্লেক্স নির্মাণ শেষে উদ্বৃত্ত টাকা ফেরত

বিজ্ঞাপন
default-image

তুরস্কের আঙ্কারায় বাংলাদেশ দূতাবাস কমপ্লেক্সের নির্মাণ প্রকল্প শেষ হয়েছে ৩ সেপ্টেম্বর। প্রকল্প সম্পন্ন হওয়ার পর উদ্বৃত্ত ২ কোটি ২৬ লাখ টাকা দূতাবাসের পক্ষ থেকে সরকারি তহবিলে ফেরত দেওয়া হয়েছে। প্রকল্পটির নির্মাণকাজের জন্য মোট বরাদ্দ ছিল ৪৫ কোটি ৭৬ লাখ টাকা।

৪ হাজার ২৮৩ বর্গমিটার আয়তনের দূতাবাস কমপ্লেক্সের মধ্যে আছে অফিস ভবন, রাষ্ট্রদূতের বাসভবন, বিজয় একাত্তর নামের ২২৯ আসনবিশিষ্ট অত্যাধুনিক প্রযুক্তির মিলনায়তন, স্বয়ংক্রিয় মেকানিক্যাল ও ইলেকট্রিক্যাল সিস্টেম, মসজিদ, ব্যায়ামাগার, বাংলাদেশি সামগ্রীর প্রদর্শনীকেন্দ্র, বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধ, ইতিহাস, ঐতিহ্য এবং আর্থসামাজিক বিষয়ে একটি পাঠাগার। তা ছাড়া বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধের ইতিহাসের প্রতিফলক হিসেবে কমপ্লেক্সে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আবক্ষ এবং ভাষা শহীদদের স্মরণে শহীদ মিনার স্থাপন করা হয়েছে। এ ছাড়া ‘অজেয় বাংলাদেশ’ শিরোনামে একটি দৃষ্টিনন্দন ম্যুরাল ও বাংলাদেশের গ্রামীণ জীবনের ওপরে টেরাকোটা স্থাপন করা হয়েছে। বাংলাদেশি স্থাপত্যরীতির আবহ নিশ্চিত করতে ভবন দুটির বহির্ভাগে লাল ইট এবং সমতল ছাদ ব্যবহার করা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

২০১০ সালের ১৪ নভেম্বর ঢাকায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ে বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যে কূটনৈতিক মিশন নির্মাণের জন্য প্লট বিনিময়ের বিষয়ে একটি প্রোটোকল স্বাক্ষরিত হয়। ওই প্রোটোকলের আওতায় উভয় দেশের রাজধানীতে নিজস্ব দূতাবাস ভবন নির্মাণের জন্য জমি প্রাপ্তির বিষয়টি সহজ হয়ে যায়। পরবর্তী সময়ে ২০১২ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তুরস্ক সফরকালে চ্যান্সারি কমপ্লেক্স প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন এবং ওই প্রকল্প স্থানে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আবক্ষ মূর্তি স্থাপন করা হয়।

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

২০১৫ সালের শেষের দিকে বর্তমান প্রকল্প পরিচালক তুরস্কে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এম আল্লামা সিদ্দীকীর দূতাবাসে যোগদানের পর প্রকল্প বাস্তবায়নে গতি আসে। প্রকল্পের বহুল প্রতীক্ষিত নির্মাণকাজ শুরু হয় ২০১৮ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর। তবে বৈরী প্রকৃতি আর কোভিড-১৯ মহামারির কারণে নির্ধারিত ১৮ মাসের স্থলে ২০ মাসে প্রকল্প সম্পন্ন হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১৪ সেপ্টেম্বর নবনির্মিত দূতাবাস কমপ্লেক্স ঢাকা থেকে ভার্চ্যুয়ালি শুভ উদ্বোধন করবেন। ওই সময় বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন এবং তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মেভলুত চাবুসওলু দূতাবাসে উপস্থিত থাকবেন।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ দূতাবাস, আঙ্কারা, তুরস্ক

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য পড়ুন 0
বিজ্ঞাপন