বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ড. হাসনাত হোসাইন সভাপতির সমাপনী বক্তব্যে বলেন, সবার ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অবদানে আমাদের আজকের বাংলাদেশ, ‘বাংলাদেশের মানুষ মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্ভূদ্ধ হয়েছিল বলেই আমরা সেদিন স্বাধীন হতে পেরেছি। অতীতের মতো আমরা সবাই মিলে অবদান রেখে দেশকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই, বিদেশ থেকেও আমাদের সেই প্রচেষ্টা থাকবে। মুক্তিযুদ্ধের মূল্যবোধ সামনে রেখে ভয়েস ফর গ্লোবাল বাংলাদেশিজ কাজ করে যাবে।’

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ৫০ বছরে ব্রিটেনের রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ, ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন, প্রিন্স চার্লস, লন্ডন মেয়রসহ অনেকেই বাংলাদেশের জনগণকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। লন্ডনের বাংলাদেশ দূতাবাসও নানা আয়োজনে স্বাধীনতা অর্জনের বিশেষ এই মাইলফলক উদ্‌যাপন করে।

সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ে নানা অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে ব্রিটেনে বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী পালিত হয়েছে। বাংলাদেশের বাইরে বাংলাদেশিদের সবচেয়ে বড় এই বাসভূমিতে পূর্ব লন্ডনের টাওয়ার হ্যামলেটস কাউন্সিল সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে দীর্ঘ অনুষ্ঠানমালার আয়োজন করেছে। ভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে লন্ডনের বোরো নিউহ্যাম কাউন্সিলও।

দূর পরবাস থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন