default-image

আর্থসামাজিক খাতে বিপুল সফলতা এবং শান্তি ও উন্নয়নে মানুষের অভূতপূর্ব অবদানের জন্য প্রশংসিত হলো বাংলাদেশ। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রধান ও কূটনৈতিক প্রতিনিধিরা এ প্রশংসা করেন। জেনেভাস্থ বাংলাদেশ স্থায়ী মিশন আয়োজিত স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে ভার্চ্যুয়াল অনুষ্ঠানে এ প্রশংসা করা হয়।

আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার মহাপরিচালক গাই রাইডার, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহাপরিচালক তেদরোস আধানোম গেব্রেয়াসুস, বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার মহাপরিচালক এনগোজি ওকোনজো-ইওয়েলা, জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক হাইকমিশনার ফিলিপ্পো গ্র্যান্ডি, আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার মহাপরিচালক এন্টনিও ভিটোরিনো, ইন্টার পার্লামেন্টারি ইউনিয়নের মহাসচিব মার্টিন পুটওয়ারেকে চুনগং, আন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগ ইউনিয়নের মহাসচিব হাওলিন ঝাও, ইউনিভার্সাল পোস্টাল ইউনিয়নের মহাপরিচালক বিশার এ হুসেনের প্রতিনিধি, বিশ্ব মেধা সংস্থার মহাপরিচালক ডারেন টাং, আঙ্কটাডের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ইজাবেল ডুরান্ট, সাউথ সেন্টারের নির্বাহী পরিচালক কার্লোস কোরিয়াসহ সবাই দারিদ্র্য বিমোচন, শান্তি, নিরাপত্তা, স্বাস্থ্য, অভিবাসন, শ্রম, নারীর ক্ষমতায়ন, জলবায়ু পরিবর্তন প্রভৃতি ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অগ্রগতির ভূয়সী প্রশংসা করেন। তাঁদের অনেকেই বাংলাদেশ বিশ্বে উন্নয়নের এক রোল মডেল হিসেবে অভিহিত করেন।

বিজ্ঞাপন

জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোরিও গুতেরেস বাংলাদেশের স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে উত্তরণ, জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশের অবদান ও বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে আশ্রয়ে বাংলাদেশের উদারতার কথা উল্লেখ করেন।
জেনেভায় নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি মো. মোস্তাফিজুর রহমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের দারিদ্র্য বিমোচন, অর্থনৈতিক ও সামাজিক অধিকার প্রতিষ্ঠা, অসমতা হ্রাস, নারীর ক্ষমতায়ন, জলবায়ু পরিবর্তন ও প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় সরকারের নিরলস প্রচেষ্টার কথা তুলে ধরেন।

অনুষ্ঠানের শুরুতে দিবসটি উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেনের ধারণ করা বার্তা প্রচার করা হয়। এ ছাড়া শিল্পকলা একাডেমির কলাকুশলীদের অংশগ্রহণে একটি সাংস্কৃতিক পরিবেশনাও ছিল এই অনুষ্ঠানে। অন্যদের সঙ্গে সুইজারল্যান্ডপ্রবাসী বাংলাদেশিরাও অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন। বিজ্ঞপ্তি

দূর পরবাস থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন