default-image

দিনটি ছিল রোববার। দুপুরেই লোকারণ্য বিলেতের বার্মিংহাম শহরের স্মলহিথ পার্ক। সময় বাড়ছে; দলে দলে মিছিল ও প্ল্যাকার্ড নিয়ে যোগ দিচ্ছেন সেখানকার আশপাশের শহরের বাঙালিরা। থমথমে হয়ে উঠেছে পরিস্থিতি। লোকসমাগম সামাল দিতে বেড়েছে ব্রিটিশ টহল পুলিশের সংখ্যা। বাংলাদেশিরা পাকিস্তানিদের গণহত্যার প্রতিবাদ জানাচ্ছেন, চাইছেন স্বাধীন বাংলাদেশের স্বীকৃতি। দেশের টানে আজ তারা শামিল হয়েছেন, গগনবিদারী চিৎকারে ধরেছেন স্লোগান। সেই শহরে থাকা পাকিস্তানিরাও জনসভা ভন্ডুল করে দেওয়ার প্রয়াস চালিয়েছিল। ছুরিকাঘাতে আহত হয়েছেন বাংলাদেশিরা। বাঙালিরা প্রতিবাদ থামতে দেননি। সেই জনসভা থেকেই শপথ পাঠ করে রাস্তায় নামেন তাঁরা। ধীরে ধীরে আরও বেগবান হয়েছে বিলেতবাসী বাঙালিদের দেশের সমর্থনে প্রতিবাদমুখর দিনগুলো। আজ সেই ঐতিহাসিক স্মলহিথ পার্ক জনসভার ৫০ বছর।

১৯৭১ সালে বার্মিংহামে বাংলাদেশের মুক্তিসংগ্রাম ও আন্দোলনের সেই দিনের কথা জানার প্রচেষ্ঠায় উঠে আসে এক নিবেদিতপ্রাণ দম্পতির কথা। তাঁরা হলেন জগলুল পাশা ও বদরুন্নেসা পাশা। বার্মিংহাম বাংলাদেশ অ্যাকশন কমিটি ও উইমেন অ্যাসোসিয়েশনের গুরুত্বপূর্ণ দুই প্রধান ব্যক্তি। প্রবাসে যাঁরা প্রতিবাদ সমাবেশ করেছিলেন, আন্দোলনে সক্রিয় ছিলেন, মুক্তিযুদ্ধের জন্য অর্থ সংগ্রহ করেছেন, জনমত আদায়ের কঠিন কাজে যুক্ত ছিলেন, তাঁদের মধ্যে বার্মিংহামে বসবাসরত এ যুগল রেখেছিলেন অনন্য ভূমিকা।
অকুতোভয় মহিয়সী বদরুন্নেসা পাশা সবার কাছে পরিচিত মিসেস পাশা নামে। দেশের ডাকে, দেশের প্রয়োজনে ঘর থেকে বের হয়ে এসেছিলেন, দাঁড়িয়েছিলেন অগ্রভাগে, বার্মিংহামে স্মলহিথ রোডে তাঁদের বাসাটি ছিল সেখানকার বাঙালিদের মিলনস্থল।

বিজ্ঞাপন
default-image

বার্মিংহামের স্মলহিথ পাকের্র ২৮ মার্চের সেই ঐতিহাসিক দিনে শপথ গ্রহণ ও হাজারো মানুষের সামনে এক আবেগঘন বক্তৃতায় মানুষকে যুদ্ধে শামিল হতে উদ্বুদ্ধ করেছিলেন মিসেস পাশা। মুক্তিযুদ্ধের খরচ নির্বাহের জন্য মিসেস পাশা তাঁর বিয়ের গয়না দান করে অর্থ সংগ্রহের সূচনা করেন। এই সাহসী উদ্যোগে অনেকে অনুপ্রাণিত হয়েছিলেন। বাংলাদেশ স্বাধীন হলে রাষ্ট্রপতি আবু সাঈদ চৌধুরী সেসব অলংকারের ছবিসহ কৃতজ্ঞতা জানিয়ে চিঠি পাঠিয়েছিলেন তাঁকে।

বর্তমানে বয়সের ভারে ন্যুব্জ বদরুন্নেসা পাশা স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তিতে প্রতিক্রিয়া জানানোর মতো অবস্থায় নেই। গত এক দশক বিলেতে থেকে বাংলাদেশের মুক্তিসংগ্রামের ইতিহাস নিয়ে ‘লন্ডন ১৯৭১’ শিরোনামে গবেষণা করতে গিয়ে বার কয়েক তাঁর সঙ্গে কথা বলার সুযোগ হয়।

নানা সময় তাঁর সঙ্গে আলাপচারিতা নিয়েই এই লেখা। বদরুন্নেসা পাশা বলেন, ১৯৭০ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নিরঙ্কুশ বিজয়ের পর থেকেই সেই বিজয় ছিনিয়ে নেওয়ার টালবাহানা শুরু করে পাকিস্তানিরা। সে সময় বার্মিংহামের স্মলহিথ এলাকায় মিসেস পাশাদের ৫২ ওয়ার্ডসওয়ার্থ রোডের বাসায় বাঙালিরা জড়ো হতেন। দেশ, জাতি আর রাজনীতি নিয়েই আলোচনা হতো সব সময়। স্থানীয় হাবিব ব্যাংকের কর্মকর্তা আজিজুল হক ভূঁইয়া ছিলেন তৎপর। তাঁর কাছ থেকে বেশি খবর আসত দেশের বিরাজমান পরিস্থিতির। আজিজুল হক ভূঁইয়া, ইসমাইল আলী আজাদ, আলী আকবর, গণেশ চন্দ্র দে, মোস্তাফিজুর রহমান দিপুসহ তাঁদের বন্ধুদের নিরলস প্রচেষ্ঠায় ‘ইস্ট পাকিস্তান লিবারেশন ফ্রন্ট’ ব্যানারে প্রকাশিত হাতে লেখা খবরের কাগজ বিলিয়ে বাঙালিদের স্বাধীনতার প্রশ্নে একত্র হওয়ার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছিলেন। তাঁদের সহযোগিতায় বার্মিংহামে বসবাসরত নারীদের নিয়ে বদরুন্নেসা পাশার নেতৃত্বে গঠিত হয়েছিল ইস্ট পাকিস্তান উইমেন অ্যাসোসিয়েশন (মিডল্যান্ড)। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে ৯ মাস সন্তানদের কোলে নিয়েই বিলেতের রাজপথে শামিল ছিলেন বাঙালি নারীরা। বিশ্ব সমর্থন আদায়ের পাশাপাশি তহবিল সংগ্রহ করেছেন নানা আয়োজন।
১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ সকালে যখন দেশের হত্যাযজ্ঞের খবর আসে, মিসেস পাশা তখন লন্ডনে এক সেমিনারে। তিনি বলেন, ‘সহকর্মীদের অনেকেই আমাকে একা বার্মিংহামে যেতে বারণ করেন। বার্মিংহাম হচ্ছে পাকিস্তানের বাইরে পাকিস্তানিদের দ্বিতীয় বসতি। বার্মিংহাম স্টেশনে নেমে দেখি, প্রতিবেশী ট্যাক্সিচালক ইমতিয়াজ আলী ভাই আমাকে নিয়ে যাওয়ার জন্য অপেক্ষা করছেন।
ফিরেই দেখি ঘরভর্তি মানুষ। বাঙালিরা ঘটনা জেনে গেছেন। কিছু একটা করার জন্য সবাই ব্যাকুল। বার্মিংহামের কমিউনিটি নেতা আফরুজ মিয়া, জমশেদ আলী, সবুর চৌধুরী অন্দোলনে সবাইকে যুক্ত করার জন্য একটা নিরপেক্ষ জায়গায় মিটিং করার চিন্তা করছিলেন। বাঙালি কমিউনিটির নেতা আজিজুল হক ভূঁইয়া আমাকে ডেকে নিয়ে বললেন, ‘‘ভাবি, আপনার বাসাই মিটিংয়ের জন্য সবচেয়ে ভালো জায়গা। মহিলা সমিতির নেতাদের কাছেও এটি পছন্দের, ভরসার জায়গা।’’ তাঁরা আমাদেরই ঘর বেছে নিলেন। আমার স্বামী শুরু থেকেই দানা বাঁধতে থাকা আন্দোলনে তাঁদের সঙ্গে ছিলেন। আমরাও সানন্দে রাজি হই।’

পাকিস্তানি পরিবেষ্টিত এই স্মলহিথ এলাকায় এ ধরনের মিটিং আয়োজনের কারণে পাশা দম্পতি পাকিস্তানিদের কাছে কী ধরনের প্রতিহিংসার কারণ হতে পারেন, সে আশঙ্কা আমলেই নেননি তাঁরা। বাঙালিদের সঙ্গে সেই মিটিংয়ে উপস্থিত ছিলেন পাশাদের পারিবারিক দুই ব্রিটিশ বন্ধু ডেভিড ও জন, যাঁরা তৈরি করেছিলেন প্ল্যাকার্ড ‘এসওএস’। সেই ২৬ মার্চ রাতের মিটিংয়েই সিদ্ধান্ত হয়, ২৮ তারিখ স্মলহিথ পার্কের মাঠে ‘শপথ সভা’ অনুষ্ঠিত হবে।

মিসেস পাশা সেই আগুনঝরা দিনের কথাই বলছিলেন। ‘তখন বার্মিংহামে আমাদের প্রধান ব্যক্তি ছিলেন মরহুম আফরোজ মিয়া সাহেব। ২৮ মার্চের আন্দোলন ছিল ওনাদের নেতৃত্বে। বিভিন্ন জায়গা থেকে সে সময় প্রায় ছয় হাজার মানুষ সমবেত হয়েছিলেন।
আজিজুল হক ভূঁইয়া, ইসমাইল আজাদ, সবুর চৌধুরী ও গণেশ দে ডিজাইন করলেন শপথ গ্রহণ সমাবেশের লিফলেট। আর সেটি রাতারাতি ছাপানোর ব্যবস্থা করে দিলেন জহুর আলী। ২৭ মার্চ ইমতিয়াজ আলীসহ কয়েকজন বাঙালি ট্যাক্সিচালক মিলে সারা বার্মিংহাম এলাকায় বিতরণ করলেন সেই লিফলেট। এদিকে মিসির আলী আর জহুর আলী তৈরি করলেন কয়েক শ জাতীয় পতাকা আর ‘জয় বাংলা’ লেখা ব্যাজ।’

default-image

২৮ মার্চ ১৯৭১, দুপুর থেকেই বাসভর্তি বাঙালিরা নানা প্রান্ত থেকে আসতে শুরু করেন। মিটিং শুরু হয়েছিল বিকেল তিনটার সময়। বদরুন্নেসা পাশা বলেন, ‘এখনো অবাক হই, ওনারা কাউন্সিলের অনুমতি কীভাবে নিয়েছিলেন! কাউন্সিল থেকে যথেষ্ট সহায়তা দেওয়া হয়েছিল। মনে আছে, সেদিন রোববার হলেও যথেষ্ট পুলিশ উপস্থিতি ছিল। তা ছাড়া আমাদের পক্ষে কাজ করাটাও সহজ ছিল না। জনসভাস্থল সজ্জিত ছিল প্ল্যাকার্ড, ফেস্টুন, ব্যানারে। আমাদের লক্ষ্য ছিল আন্তর্জাতিক সমর্থন আদায়, বিশেষ করে বিলেতের। প্ল্যাকার্ডগুলো তাই ইংরেজিতে ছিল। আমার স্বামী জগলুল পাশা ছিলেন বার্মিংহাম বাংলাদেশ অ্যাকশন কমিটির প্রেসিডেন্ট। শুরুতেই তিনি সমাবেশ আয়োজনের প্রেক্ষাপট তুলে ধরেন। মিটিং শুরু হওয়ার কিছু সময়ের ভেতর পার্কের এক কোনায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পাকিস্তানিরা ছুরি নিয়ে আমাদের আক্রমণ করে। মারামারি ছড়িয়ে পড়ে। ১৩ ব্যক্তি আহত হয়। পুলিশের অ্যাম্বুলেন্স জড়ো হয়। আকস্মিক আক্রমণে যখন সবাই দৌড়াদৌড়ি করছিল, তখন আজিজুল হক ভূঁইয়া আমাকে মাইকে কিছু বলার জন্য বললেন। আমি মাইকে পাকিস্তানিদের প্ররোচনার কথা বললাম। আমি মানুষকে বললাম আমাদের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য না ভুলতে। আমাদের মহান কাজকে বানচাল করার ষড়যন্ত্র সম্পর্কে সজাগ থাকার কথা বললাম। আবার জমে ওঠে সমাবেশস্থল। আমরা স্বাধীনতাযুদ্ধের জন্য ‘বাংলাদেশ ফান্ড’ শিরোনামে অর্থ সংগ্রহ করা শুরু করি। আমি বিয়ের গহনা দেশের জন্য দেওয়ার ঘোষণা দিয়ে ফান্ডে জমা দিই। সবাই যে যা পারে, সাহায্য করলেন। অনেকেই দেওয়ার ঘোষণা দিলেন।’

বিজ্ঞাপন
default-image

বদরুন্নেসা পাশা বলেন, ‘শান্তিপূর্ণ সমাবেশে পাকিস্তানিদের আক্রমণের জন্য একটা পুলিশ মামলা ফাইল হয় এবং চার–পাঁচ মাস ধরে সেই মামলা চলে। বার্মিংহাম অ্যাকশন কমিটি মামলার ব্যয়ভার বহন করে এবং আমরা মামলায় জয়লাভ করি। পাকিস্তানিদের আসল উদ্দেশ্য ছিলো সভা পণ্ড করা।’

আরও দুটো স্মরণীয় ঘটনার কথা জানিয়েছিলেন পাশা। তিনি বলেন, ‘আমরা এজবাস্টন ক্রিকেট গ্রাউন্ডে প্রতিবাদ সমাবেশ করছিলাম ইংল্যান্ড বনাম পাকিস্থানের টেস্ট ক্রিকেট ম্যাচ বাতিলের দাবিতে। তখন পাকিস্তানিদের সঙ্গে আমাদের বাদানুবাদ হয়েছিল। আমাদের উদ্দেশ্য ছিল শান্তিপূর্ণ সমাবেশ, যাতে আমরা বিশ্বে আমাদের কণ্ঠস্বর পৌঁছাতে পারি। খুবই সতর্কতার সঙ্গে আমরা গন্ডগোল এড়িয়ে গেছি, তা না হলে মিডিয়া কাভারেজ ও বিশ্ব জনমত গঠনের উদ্দেশ্য ব্যাহত হতো। প্রচণ্ড উত্তেজনা ছিল সেই প্রতিবাদী মিছিলের।

১৯৭১ সালের ডিসেম্বরে আমরা মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেওয়ার জন্য ভলান্টিয়ার নিয়োগ দিচ্ছিলাম। দুটো প্রোগ্রাম ছিল একই সময়। এক হচ্ছে মুক্তিযোদ্ধা নিয়োগ, আরেকটা হচ্ছে বার্মিংহামের নারীদের প্রতিবাদ সভা। মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিতে ইচ্ছুক ব্যক্তিদের একটা লাইন হয়ে গিয়েছিল। এর মধ্যে ছিলেন এক ইংলিশ বারম্যান। তিনিও বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিতে এসেছিলেন। এই ঘটনা স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

বিলেতে বার্মিংহামে বাংলাদেশের স্বাধীনতার সমর্থনে গড়ে ওঠা ইস্ট পাকিস্তান লিবারেশন ফ্রন্ট, যেটি পরবর্তী সময়ে হয়েছিল বার্মিংহাম অ্যাকশন কমিটি, দীর্ঘ ৯ মাস তারা প্রতিবাদমুখর ছিল। স্লোগানে স্লোগানে উত্তাল রেখেছিল দেশটির বিভিন্ন শহরকে। বার্মিংহাম শহর থেকে বাসভর্তি মানুষ হরহামেশা যোগ দিতেন লন্ডনে আয়োজিত প্রতিবাদী সভায়। আর বার্মিংহামেই বাস করতেন ব্রিটিশ আলোকচিত্রী রজার গোয়েন ও বাংলাদেশি আলোকচিত্রী ইউসুফ চৌধুরী। বিলেতের সেসব আগুনমুখর অনন্য চিত্র দুজনই তুলে রেখেছিলেন। ছবিই বলে দেয়, কতটা মরিয়া হয়ে ভিনদেশের রাস্তায় নিজেদের উজাড় করে নেমেছিলেন দেশটিতে বসবাসরত আমাদের পূর্বসূরিরা।’

default-image

৫০ বছর পর স্মলহিথ পার্কের সেই জনসভা নিয়ে রোমন্থন করেন বার্মিংহামে বসবাসরত বিলেতে বাংলাদেশের মুক্তিসংগ্রামের ইতিহাসে বলিষ্ঠ সংগঠক তজম্মুল হক টনি। তিনি বলেন, ‘পরিস্থিতি খারাপের দিকে যাচ্ছিল, সে–তো জানতামই। সত্যি কথা বলতে কি, নিজেদের তৈরি করছিলাম পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য। ২৮ মার্চ স্মলহিথ পার্কেও জনসভাটি ছিল স্ফুলিঙ্গের মতো। সবকিছু উজাড় করেই মানুষজন জড়ো হয়েছিলেন। সে এক অভাবনীয় সাড়া। মনে পড়ছে, লাউড স্পিকার লাগবে জনসভায়, কী করা যায়। স্থানীয় লেবার পার্টির নেতা, পরবর্তী সময়ে সিটি কাউন্সিলর হয়েছিলেন ডিক নলেস, তিনি স্পিকারের ব্যবস্থা করে দিয়েছিলেন। তুমুল উত্তেজনা নিয়ে শপথ পাঠ করা হলো। উত্তোলন করা হলো পতাকা। মানুষের সক্রিয় অংশগ্রহণের প্রেরণা জুগিয়েছে সেই জনসভা। বাকি ৯ মাস তো রাস্তায়ই ছিলাম। লন্ডন টু বার্মিংহাম। নানা শহরে ছুটেছি। সে এক অনন্য সুখম্মৃতি।’

স্মলহিথ পার্কে আয়োজিত জনসভাটি ছিল প্রতিবাদী বাঙালিদের শপথ নিয়ে মাঠে নামার অনন্য উপলক্ষ। বাংলাদেশের স্বাধীনতার সমর্থন ও বিশ্ব জনমত গঠনে পাশা দম্পতির অবদান চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।

উজ্জ্বল দাশ: প্রতিষ্ঠাতা, লন্ডন ১৯৭১ প্রবাসে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিষয়ক গবেষণা প্রতিষ্ঠান।

দূর পরবাস থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন