সরকারিভাবে প্রবাসী বাংলাদেশি দিবস পালনের আহ্বান

বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসে তাঁর স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে গত রোববার সন্ধ্যায় শুরু হয় স্কলার্স বাংলাদেশ সোসাইটি আয়োজিত চতুর্থ প্রবাসী বাংলাদেশি দিবসের অনুষ্ঠান
ছবি: সংগৃহীত

বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসে তাঁর স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে গত রোববার সন্ধ্যায় শুরু হয় স্কলার্স বাংলাদেশ সোসাইটি আয়োজিত চতুর্থ প্রবাসী বাংলাদেশি দিবসের অনুষ্ঠান। অনলাইনে আয়োজিত এ অনুষ্ঠান প্রথম আলোর অফিশিয়াল ফেসবুক পেজ থেকে সরাসরি সম্প্রচার করা হয়। অনুষ্ঠানে সরকারিভাবে প্রবাসী বাংলাদেশি দিবস পালনের আহ্বান জানান বক্তারা।
অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করবেন স্কলার্স বাংলাদেশ সোসাইটি ও সেন্টার ফর এনআরবি ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি এম ই চৌধুরী শামীম। শুরুতেই তিনি প্রধানমন্ত্রীর প্রতি একটা দিন প্রবাসী বাংলাদেশি দিবস হিসেবে পালনের অনুরোধ জানান।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে অংশ নেন প্রবাসী বাংলাদেশি দিবস উদ্‌যাপন কমিটির চেয়ারম্যান পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ এখন আর তলাবিহীন ঝুড়ি নয়। বাংলাদেশ এখন সম্ভাবনাময় দেশ। গত কয়েক বছরে আমাদের অভাবনীয় সাফল্য এসেছে। অর্থনৈতিক, সামাজিক ক্ষেত্রসহ মোটামুটি প্রতিটি ক্ষেত্রেই আমরা আমাদের প্রতিবেশী দেশের থেকে অনেক এগিয়ে।’ প্রবাসীদের প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, ‘দেশের প্রায় ১ কোটি ৩০ লাখ প্রবাসী রয়েছেন। এর মধ্যে ৮০ ভাগ বিদেশে কাজ করেন এবং কাজ শেষ হয়ে গেলে ফিরে আসেন। আর ২০ ভাগ প্রবাসী রয়েছেন স্থায়ী, যাঁদের আমরা বলি পিবিও। আমরা দুই পক্ষের জন্য বিশেষ কর্মসূচি হাতে নিয়েছি। আমাদের প্রবাসীরা দেশের সম্পদ। সরকার প্রবাসীদের জন্য প্রবাসী মন্ত্রণালয় গঠন করেছে, প্রবাসী ব্যাংক চালু করেছে এবং দূতাবাস নামে অ্যাপ চালু করেছে, যার সাহায্যে প্রবাসীরা ৩৪ ধরনের সেবা নিতে পারেন। এ ছাড়া ৮০ ভাগ এনআরবির জন্য বিদেশে থেকেই আইডি তৈরির ব্যবস্থা শুরু করছে সরকার।’ যে পেশায় যাঁরা নিজেদের অবস্থান সৃষ্টি করেছেন, তাঁদের ডেটাবেইস তৈরির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানান মন্ত্রী। প্রবাসী দিবস হিসবে একটা দিন পালনের বিষয়ে তিনি বলেন, ৩০ ডিসেম্বর প্রবাসী দিবস হিসেবে বেসরকারিভাবে পালিত হচ্ছে। সামনে দিবসটি সরকারিভাবে পালিত হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

দুবাই থেকে এনআরবি উদ্যোক্তা ম্যাক্স গ্রুপের চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মাদ আলমগীর প্রবাসী শ্রমিকদের বিড়ম্বনা দূর করার আহ্বান জানান। এ ছাড়া প্রবাসী দক্ষ কর্মীদের দেশে ফেরত এনে কাজে লাগানোর জন্য সরকারকে অনুরোধ করেন। এ ছাড়া দক্ষ জনশক্তি তৈরির জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন। সরকারের কাছ থেকে জমি পেলে নিজেই এ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করার কথাও তিনি উল্লেখ করেন।
অস্ট্রেলিয়া থেকে কামরুল আহসান খান বলেন, ‘প্রবাসীরা এক অর্থে রাষ্ট্রদূত।’ স্কলার্স বাংলাদেশ সোসাইটি ও সেন্টার ফর এনআরবি ফাউন্ডেশনের প্রধান নির্বাহী দিলারা আফরোজ খান বলেন, প্রবাসীরা শুধু টাকা পাঠানোয় ভূমিকা রাখছেন তা নয়, মেধা ও মননে ভূমিকা রাখছেন। ১৯১৫ সালের ৯ জানুয়ারি মহাত্মা গান্ধী দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে ভারতে ফিরে এসেছিলেন, সেই দিনটিকে স্মরণ করে প্রতিবছর এই তারিখে প্রবাসী ভারতীয় দিবস পালিত হয়। ২০০৩ সালে ভারত সরকারের উদ্যোগে প্রবাসী ভারতীয় দিবস পালন শুরু হয়। প্রতিবছর ৭-৯ জানুয়ারি ভারতের কোনো একটি শহরে বড় অনুষ্ঠান হয়, অনাবাসী ভারতীয়রা আলোচনাসভায় অংশ নেন এবং প্রবাসী ভারতীয় সম্মান দেওয়া হয়।

দুবাই থেকে এনআরবি উদ্যোক্তা ম্যাক্স গ্রুপের চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মাদ আলমগীর প্রবাসী শ্রমিকদের বিড়ম্বনা দূর করার আহ্বান জানান। এ ছাড়া প্রবাসী দক্ষ কর্মীদের দেশে ফেরত এনে কাজে লাগানোর জন্য সরকারকে অনুরোধ করেন। এ ছাড়া দক্ষ জনশক্তি তৈরির জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন। সরকারের কাছ থেকে জমি পেলে নিজেই এ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করার কথাও তিনি উল্লেখ করেন।

অস্ট্রেলিয়া থেকে কামরুল আহসান খান বলেন, ‘প্রবাসীরা এক অর্থে রাষ্ট্রদূত।’ স্কলার্স বাংলাদেশ সোসাইটি ও সেন্টার ফর এনআরবি ফাউন্ডেশনের প্রধান নির্বাহী দিলারা আফরোজ খান বলেন, প্রবাসীরা শুধু টাকা পাঠানোয় ভূমিকা রাখছেন তা নয়, মেধা ও মননে ভূমিকা রাখছেন। ১৯১৫ সালের ৯ জানুয়ারি মহাত্মা গান্ধী দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে ভারতে ফিরে এসেছিলেন, সেই দিনটিকে স্মরণ করে প্রতিবছর এই তারিখে প্রবাসী ভারতীয় দিবস পালিত হয়। ২০০৩ সালে ভারত সরকারের উদ্যোগে প্রবাসী ভারতীয় দিবস পালন শুরু হয়। প্রতিবছর ৭-৯ জানুয়ারি ভারতের কোনো একটি শহরে বড় অনুষ্ঠান হয়, অনাবাসী ভারতীয়রা আলোচনাসভায় অংশ নেন এবং প্রবাসী ভারতীয় সম্মান দেওয়া হয়।