বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

অমিক্রনে সংক্রমিত ব্যক্তিদের স্বাদ ও গন্ধের অনুভূতির তেমন কোনো বদল না-ও হতে পারে। উচ্চ মাত্রার জ্বর না-ও থাকতে পারে। শুকনা কাশি ও স্বরভঙ্গ হলে অবশ্যই করোনা পরীক্ষা করাতে হবে।

অমিক্রনের প্রভাবে সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ার নেপথ্যে মূলত টিকা না পাওয়া ব্যক্তিই দায়ী, এমন ধারণা একেবারেই ঠিক নয়। টিকা নিয়ে স্বাস্থ্যবিধি না মানলে যে কেউ সংক্রমণের শিকার হবেন, অন্যের শরীরে ভাইরাসও ছড়াবেন।

আমাদের দেশে এখনো বহু মানুষ টিকা পাননি। এ অবস্থায় অমিক্রন যত বেশি ছড়াবে, তাঁদের বিপদ বাড়বে। যিনি নিজে অসচেতনতার কারণে সংক্রমিত হলেন, দেখা গেল তাঁর হয়তো নিজের কিছুই হলো না। কিন্তু তাঁর কারণে আরও পাঁচজন ক্ষতিগ্রস্ত হলেন। এটি চরম দায়িত্বজ্ঞানহীনতার পরিচয়। নতুন করে এ-ও শোনা যাচ্ছে যে টিকার বুস্টার ডোজ নিয়েও উল্লেখযোগ্যসংখ্যক মানুষ অমিক্রনে আক্রান্ত হচ্ছেন। তাই বুস্টার ডোজ নিলেই আপনি নিরাপদ, তা নয়।

দেশে করোনার যে টিকাগুলো দেওয়া হচ্ছে, সেগুলোর কোনোটাই অমিক্রন প্রতিরোধে শতভাগ কার্যকর নয়। যাঁরা আগে দুই ডোজ টিকা নিয়েছেন, তাঁদের ক্ষেত্রে টিকার অ্যান্টিবডির মাত্রা ধীরে ধীরে কমে যেতে পারে।

সাধারণ একটি ধারণা হয়েছে যে অমিক্রন অত বিপজ্জনক নয়। সে কারণে বেশির ভাগ মানুষ স্বাস্থ্যবিধি মানার ক্ষেত্রে ঢিলেমি দেখাচ্ছেন। কিন্তু সংক্রমণের ব্যাপকতার কারণে বিপুলসংখ্যক মানুষ যখন আক্রান্ত হবেন, তখন স্বাস্থ্যব্যবস্থার ওপর চাপ পড়বে।

যেকোনো ধরনের করোনাভাইরাসকে সবচেয়ে সফলভাবে প্রতিহত করতে পারে মাস্ক। তাই মাস্ক পরুন। ভিড় এড়িয়ে চলুন।

সুস্থতা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন