বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

অনেকে ওষুধ খেয়ে এমআর করতে চান। এতে অসহনীয় ব্যথা ও রক্তপাত নিয়ে কখনো কখনো হাসপাতালে জরুরি সেবা নিতে হয়। গ্রামগঞ্জে অস্বাস্থ্যকর উপায়ে বা নানা রকমের কবিরাজি ওষুধ খেয়ে এমআরের চেষ্টা করা হয়। এতে অস্বাভাবিক রক্তপাত, সংক্রমণসহ মায়ের জীবন ঝুঁকিতে পড়তে পারে।

কোনো প্রেগন্যান্সি জরায়ুর বাইরেও হতে পারে, যাবে বলা হয় এক্টোপিক প্রেগন্যান্সি। ওষুধ সেবন বা এমআর করার কিছুদিন পর তীব্র পেটব্যথা ও মৃতপ্রায় অবস্থায় হাসপাতালে এলে শনাক্ত হয় যে তা আসলে এক্টোপিক প্রেগন্যান্সি ছিল। এটা দেরিতে নির্ণীত হলে মায়ের জীবনের ঝুঁকি পর্যন্ত হতে পারে।

জীবনঝুঁকির মতো কোনো কারণ না হলে এমআর করা উচিত নয়। যদি এমআর করতেই হয়, তবে আলট্রাসনোগ্রাফি করে প্রেগন্যান্সি জরায়ুর ভেতরেই আছে এবং একেবারে প্রাথমিক পর্যায়ে তা নিশ্চিত হয়ে চিকিৎসকের পরামর্শমতো ব্যবস্থা নিতে হবে। চিকিৎসকের উচিত হবে অপরিকল্পিত এমআরের জন্য ভবিষ্যতে কী ধরনের সমস্যা হতে পারে, তা রোগীকে যথাযথভাবে জানানো ও কাউন্সেলিং করা। নবদম্পতিরা চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী শুরু থেকেই জন্মনিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা নিলে অনাকাঙ্ক্ষিত গর্ভধারণ এড়াতে পারেন।

ডা. শাহীনা বেগম, স্ত্রীরোগ ও প্রসূতিবিদ্যা বিশেষজ্ঞ, বিআরবি হাসপাতাল

স্বাস্থ্য থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন