default-image

করোনা মহামারির সময়ে অনেকেরই চোখে বিভিন্ন ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে। যেহেতু করোনা একটি অতি সংক্রামক রোগ, তাই এ সময় চোখের নানা সমস্যায় সাধারণ মানুষ হাসপাতালে বা ডাক্তারের কাছে যেতে ভয় পাচ্ছেন। এটা ঠিক যে খুব জরুরি কোনো সমস্যা না হলে এ সময় বাড়ির বাইরে না যাওয়াই ভালো।

এ অবস্থায় সাধারণ চোখের সমস্যার জন্য ঘরে বসেই চিকিৎসা নেওয়া সম্ভব। এ জন্য রোগীরা টেলিমেডিসিনের সাহায্য নিতে পারেন। চোখের সাধারণ সমস্যার সমাধান টেলিমেডিসিনেই সম্ভব। কিন্তু কিছু কিছু জরুরি সমস্যা আছে, যেসব ক্ষেত্রে আপনাকে চিকিৎসকের কাছে যেতেই হবে।

জানা দরকার, কোন কোন ক্ষেত্রে চক্ষু রোগীদের জরুরি চিকিৎসার জন্য ডাক্তারের কাছে ও হাসপাতালে যেতে হবে:

* চোখে আঘাত পেলে।

* চোখ লাল ও ব্যথা হলে।

* চোখে হঠাৎ করে কম দেখলে।

* চোখে আলোর ঝলকানো দেখা গেলে।

* ডায়াবেটিসের রোগীরা চোখে কালো অথবা লাল কিছু ঘুরছে এমন কিছু দেখলে।

* নবজাতক শিশু, যাদের জন্ম ৩৪ সপ্তাহ বা তার আগে এবং ওজন ১ দশমিক ৭৫ কেজির নিচে, তাদের জন্মের ৩০ দিনের মধ্যে।

বিজ্ঞাপন

অনেকেই আছেন যাঁদের করোনার আগে ডাক্তার অস্ত্রোপচারের জন্য উপদেশ দিয়েছিলেন, সেসব ক্ষেত্রে জরুরি না হলে এ মুহূর্তে অস্ত্রোপচার না করানোই ভালো।

যাঁদের এক বা দুই মাসের ওষুধ দেওয়া হয়েছিল এবং এখন শেষ হয়ে গেছে, সে ক্ষেত্রে যদি কোনো ড্রপ চলবে লেখা থাকে, সেগুলো বন্ধ করা যাবে না। যেমন চোখের প্রেশার বা গ্লুকোমার ওষুধ কোনো অবস্থাতেই বন্ধ হবে না।

যাঁদের চশমা ভেঙে বা হারিয়ে গেছে, তাঁরা পূর্বের চশমার পাওয়ারের কাগজ দেখিয়ে চশমা বানিয়ে নিতে পারেন। খুব বেশি অসুবিধা না হলে বর্তমান করোনা পরিস্থিতিতে পাওয়ার দেখাতে হাসপাতালে না যাওয়াই ভালো।

এ গ্রীষ্মে চোখ লাল হওয়া বা চোখ ওঠাও একটা সমস্যা। কিন্তু কোনো কোনো ক্ষেত্রে করোনা রোগের একটি প্রাথমিক লক্ষণ হতে পারে এটি। লক্ষ করতে হবে, এ ধরনের চোখ ওঠার সঙ্গে নাকের গন্ধ বা মুখের স্বাদ নষ্ট হয়েছে কি না? শরীর ব্যথা, জ্বর কিংবা পেটের পীড়া আছে কি না? যদি চোখ লাল হওয়ার সঙ্গে ওপরে উল্লিখিত কোনো উপসর্গ থাকে, তবে অবশ্যই তাঁকে করোনা পরীক্ষা করাতে হবে।

স্বাস্থ্য থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন