বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

অনেক রেস্তোরাঁয় প্রবেশপথে জীবাণুনাশকের ব্যবস্থা রয়েছে। স্যানিটাইজার ব্যবহারের সুবিধাও থাকে। সামাজিক দূরত্ব মেনে দাঁড়াতে চিহ্নও আঁকা থাকে। নিজের সুরক্ষার জন্য হলেও সেগুলো মেনে চলুন। রেস্তোরাঁয় গিয়ে সেখানকার কর্মীদের যতটা সম্ভব কম সংস্পর্শে আসতে হবে। কিছু কিছু রেস্তোরাঁয় শিশুদের খেলার নির্দিষ্ট জায়গা থাকে। এই পরিস্থিতিতে বাচ্চাদের খেলার জায়গাগুলো পরিহার করা উচিত।

অনলাইনে বা বাইরে থেকে কেনা খাবার কতটা নিরাপদ, সেই প্রশ্নও রয়েছে। স্বাস্থ্যসম্মতভাবে খাবার প্রস্তুত করা হলেও ঝুঁকি কিন্তু থেকেই যায়। সেই ক্ষেত্রে বাইরে থেকে কেনা খাবার খেতে চাইলে গরম করে নিতে হবে। পিৎজা–জাতীয় খাবার কিনলে সেটাও মাইক্রোওয়েভ ওভেনে ২ মিনিট ধরে গরম করুন। বাজার থেকে আনা গরম খাবার যে ঠোঙা বা বাক্সে করে আসছে, সেগুলো ঘরে আনার সঙ্গে সঙ্গে বিনে ফেলে দিন এবং খাবার গরম করে খান। খাওয়ার আগে অবশ্যই ২০ সেকেন্ড ভালো করে হাত ধুয়ে নিন। সুযোগ থাকলে টাকা ব্যবহার না করে এটিএম কার্ড ব্যবহার করে বাজার করুন।

অনেকেই মনে করেন, দুই ডোজ টিকা নিলে আর মাস্ক পরতে হবে না। বিষয়টা মোটেও ঠিক নয়। রেস্তোরাঁয় প্রবেশের সময়, খাবার অর্ডার করা ও বিল দেওয়ার সময়ে অবশ্যই মাস্ক পরতে হবে। করোনাকালে বাইরের ভিড়ে যেমন যাওয়া ঠিক না, তেমনি রেস্তোরাঁর ভিড় থেকেও দূরে থাকুন। বুফে রেস্তোরাঁগুলোয় সামাজিক দূরত্ব মানা কঠিন। ফলে টেবিলে বসে অর্ডার করা খাবারই ভালো।

ডা. আরিফ যোবায়ের, প্রকল্প পরিচালক, নাটাব সিনিয়র সিটিজেন হাসপাতাল

স্বাস্থ্য থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন