বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

গর্ভাবস্থায় চিকিৎসা কি নিরাপদ

যক্ষ্মা চিকিৎসার প্রথম সারির ৪টি ওষুধ (আইসোনিয়াজিড, রিফামপিসিন, ইথামবিউটল ও পাইরাজিনামাইড) গর্ভাবস্থায় সম্পূর্ণ নিরাপদ। যক্ষ্মা রোগের প্রাথমিক চিকিৎসায় ব্যবহৃত ওষুধগুলো প্ল্যাসেন্টা বা অমরা অতিক্রম করে, তবে সেগুলো ভ্রূণের ওপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে বলে মনে করা হয় না। এসব ওষুধের মাতৃকালীন সুরক্ষা রেকর্ড রয়েছে ও এরা মানবভ্রূণের জন্মগত ত্রুটির সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।

নবজাতকের ঝুঁকি

নবজাতকের সংক্রমণ সাধারণত জন্মের পর মায়ের কাছ থেকে হয়। যক্ষ্মায় আক্রান্ত মায়ের যদি চিকিৎসার অন্তত দুই মাস অতিক্রান্ত হওয়ার পর সন্তানের জন্ম হয়, তবে তিনি বুকের দুধ পান করাতে পারবেন এবং সন্তানকে কাছেও রাখতে পারবেন। তা না হলে মায়ের কাছ থেকে সন্তানকে আলাদা রাখতে হবে।

বুকের দুধ খাওয়ানো কি নিরাপদ

নতুন মায়েরা যাঁরা বুকের দুধ খাওয়াচ্ছেন ও যক্ষ্মার জন্য চিকিৎসা চলছে, তাঁরা নিরাপদে তা করতে পারেন। যক্ষ্মার চিকিৎসার ওষুধ বুকের দুধে খুব অল্প পরিমাণে নিঃসরিত হয়, পরিমাণে যা ক্ষতিকারক বলে ধরা হয় না। মনে রাখা দরকার, যক্ষ্মা ফুসফুসে না হয়ে শরীরের অন্য যেকোনো জায়গায়ও হতে পারে।

ডা. নওসাবাহ্ নূর, মেডিসিন বিশেষজ্ঞ, পপুলার মেডিকেল কলেজ

সুস্থতা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন