বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ইনসুলিন শেষ চিকিৎসা নয়

অনেকের ধারণা, ইনসুলিন ডায়াবেটিসের শেষ চিকিৎসা, ইনসুলিন দেওয়া মানে আর আশা নেই। এটা ঠিক নয়। অনেকেরই বিপদ কেটে যাওয়ার পর ইনসুলিনের বদলে আবার মুখে খাওয়ার ওষুধে ফেরা যায়।

ইনসুলিনে ভয়

ওজন বৃদ্ধি আর হাইপোগ্লাইসেমিয়া বা রক্তে হঠাৎ শর্করা কমে যাওয়ার বিপদ ছাড়া ইনসুলিনের তেমন কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই। নতুন ধরনের আধুনিক ইনসুলিন আসার পর এই পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও অনেকাংশে কমে গেছে। ইনসুলিন পেন ডিভাইস ব্যবহারে ব্যথা নেই বললেই চলে।

ইনসুলিন সংরক্ষণ ও ব্যবহারবিধি

ঘরের স্বাভাবিক তাপমাত্রায় ইনসুলিন একটি প্যাকেট বা বাক্সে করে ড্রয়ার বা এমন কোনো স্থানে রাখলে চলে, যেখানে রোদ বা বেশি গরম না লাগে। যে ইনসুলিন ব্যবহৃত হচ্ছে, তা রেফ্রিজারেটরে না রাখলেও চলে। তবে একসঙ্গে কয়েকটি কেনা হলে অব্যবহৃতগুলো রেফ্রিজারেটরে রাখা ভালো। ইনসুলিন ব্যবহারের সুই বা সিরিঞ্জ দু-তিনবার ব্যবহারের পর পরিবর্তন করা উচিত। বাহুর বা ঊরুর বাইরের দিকে চামড়ার নিচে কিংবা পেটে নাভির অন্তত চার আঙুল দূরে ত্বকের নিচে ইনসুলিন দেওয়া হয়। সিরিঞ্জ ব্যবহার করলে চামড়া একটু টেনে উঠিয়ে ঠিক ত্বকের নিচে দিতে হবে। পেন ডিভাইসে সুই এত ছোট ও সূক্ষ্ম থাকে যে তার দরকার হয় না। ইনসুলিন পুশ করার পর আরও ১০ সেকেন্ড ধরে রাখা নিয়ম, যাতে সবটুকু ভেতরে যেতে পারে। সুই বের করার পর জায়গাটা ডলা বা ম্যাসাজ করা যাবে না। আধুনিক ইনসুলিন ব্যবহার করলে খাওয়ার জন্য আধ ঘণ্টা অপেক্ষা করা প্রয়োজন পড়ে না। এমনকি ভুলে গেলে খাওয়ার পর বা খাওয়ার মাঝখানেও ব্যবহার করা যাবে।

আগামীকাল পড়ুন: শীতের শুরুতে শিশুর যত্ন


ডা. তানজিনা হোসেন, সহযোগী অধ্যাপক, এন্ডোক্রাইনোলজি ও মেটাবলিজম, গ্রিন লাইফ মেডিকেল কলেজ

সুস্থতা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন