বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এ ছাড়া আছে কিছু বিপাকজনিত সমস্যা, যেমন উইলসন ডিজিজ, হেমোক্রোমাটোসিস ও আলফা ওয়ান অ্যান্টিট্রিপসিন ডেফিসিয়েন্সি।

লিভার সিরোসিসের লক্ষণ উপসর্গ নানান রকম হতে পারে। যেমন দুর্বলতা, ওজন হ্রাস, জন্ডিস, পেটে পানি জমে ফুলে যাওয়া, হঠাৎ অজ্ঞান হয়ে যাওয়া, রক্তবমি বা মলের সঙ্গে রক্তপাত ইত্যাদি।

পেটে পানি আসার আরেকটি বড় কারণ হলো পেটের ভেতর যক্ষ্মা বা টিবি রোগ। সাধারণত আমরা জানি যে যক্ষ্মা ফুসফুসে হয়ে থাকে। আসলে তা নয়, টিবি বা যক্ষ্মা শরীরের যেকোনো জায়গায়, এমনকি পেটে, অন্ত্রে বা অন্য কোনো অঙ্গেও হতে পারে।

পেটে টিবি হলে পেটে পানি জমা হওয়ার পাশাপাশি জ্বর, অরুচি, ওজন হ্রাস ইত্যাদি লক্ষণ থাকে। দেহের যেকোনো এলাকার ক্যানসার পেটের অঙ্গপ্রত্যঙ্গের পাতলা আবরণ পেরিটোনিয়ামে ছড়িয়ে গিয়ে পেটে পানি জমা হতে পারে। যকৃতেও ছড়াতে পারে ক্যানসার। পাকস্থলী, বৃহদান্ত্র, যকৃৎ, প্যানক্রিয়াস ও প্রজনন অঙ্গের ক্যানসার পেটে পানি জমার কারণ হয়ে উঠতে পারে। দীর্ঘমেয়াদি কিডনি জটিলতা, যেমন রেনাল ফেইলিউর রোগে শরীরের অন্যান্য জায়গার মতো পেটেও পানি আসতে পারে।

পেটে পানি জমা হলে পেট ভারী মনে হবে, আস্তে আস্তে ফুলে যাবে বা বড় দেখাবে। অনেক বড় হয়ে একপর্যায়ে শ্বাসকষ্ট হতে পারে। তা ছাড়া আলট্রাসনোগ্রাফি পরীক্ষা করে খুব সহজেই এটা ধরা পড়ে।

ডা. মোহাম্মদ জাকির হোসেন, সহযোগী অধ্যাপক, পরিপাকতন্ত্র, লিভার ও প্যানক্রিয়াস রোগ বিভাগ, স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ ও মিটফোর্ড হাসপাতাল, ঢাকা

সুস্থতা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন