বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সন্তান ধারণের আগে করণীয়

চিকিৎসকেরা যত দিন বাতরোগে আক্রান্ত নারীকে সন্তান ধারণের জন্য উপযুক্ত মনে করছেন না, তত দিন নিরাপদ জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি ব্যবহার করতে হবে। সন্তান ধারণের আগে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। হয়তো ওষুধ বা চিকিৎসা পদ্ধতির পরিবর্তন দরকার হতে পারে। রোগের তীব্রতা নিয়ন্ত্রণে না এনে হঠাৎ গর্ভধারণ করা বিপজ্জনক। গর্ভধারণের আগে থেকেই ফলিক অ্যাসিড খেতে হবে।

সন্তান ধারণের পর করণীয়

যদি অন্তঃসত্ত্বা হয়েই পড়েন, তবে নিজে থেকে কোনো ওষুধ বন্ধ করবেন না। চিকিৎসকের পরামর্শ নিন দ্রুত। রোগের তীব্রতা বেড়ে গেলে গর্ভাবস্থায় তা নিয়ন্ত্রণে আনা মুশকিল। সে ক্ষেত্রে স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞকে জানাতে হবে রোগের বিষয়টি। আর কী কী ওষুধ খাচ্ছেন তা-ও জানাতে হবে। গর্ভাবস্থায় স্ত্রীরোগ ও বাতরোগ বিশেষজ্ঞর কাছে ঘন ঘন ফলোআপ ও পর্যবেক্ষণ দরকার।

সন্তান প্রসবের সময় করণীয়

রাতরোগে আক্রান্ত নারীদের স্বাভাবিক প্রসব সম্ভব। সিজারিয়ান লাগবে, এমন কোনো কথা নেই। পরিবারের অন্য সদস্যদের এ ক্ষেত্রে সচেতন ও সক্রিয় ভূমিকা রাখতে হবে। কিছু বাতরোগ প্রসব–পরবর্তী সময়ে বেড়ে যেতে পারে। সে ক্ষেত্রে চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ রাখুন।

মাতৃদুগ্ধ পান

কিছু ওষুধ মাতৃদুগ্ধের মাধ্যমে শিশুর শরীরে গিয়ে ক্ষতি করতে পারে। তাই নিরাপদ ওষুধ সেবনের জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। শেষ কথা হলো, বর্তমানে বাতরোগের আধুনিক ও নিরাপদ চিকিৎসা সহজলভ্য হয়েছে। যেহেতু এ ধরনের রোগ নারীদের বেশি হয়, তাই নারীর প্রজননজীবনের ওপর এটি প্রভাব ফেলে। তাই সন্তান ধারণ, প্রসব ও মাতৃদুগ্ধ পানের সময় বিশেষ সচেতনতা জরুরি।

অধ্যাপক রওশন আরা, মেডিসিন ও বাতরোগ বিশেষজ্ঞ, গ্রিন লাইফ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল

স্বাস্থ্য থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন