বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সিএমএল হলে রোগীর যেসব লক্ষণ প্রকাশ পায় সেগুলো হলো—জ্বর, ক্ষুধামান্দ্য, দুর্বলতা, ওজন কমে যাওয়া, রক্তস্বল্পতা, পেটের বাম দিকের ওপরের অংশে চাকা অনুভব করা ইত্যাদি। প্রাথমিকভাবে এই রোগ রক্তের পেরিফেরাল ব্লাড ফিল্ম পরীক্ষা করেই শনাক্ত করা যায়। আরও ভালোভাবে বুঝতে বোন ম্যারো পরীক্ষা এবং সাইটোজেনেটিক পরীক্ষা করে মিউটেশন সম্পর্কে নিশ্চিত হতে হয়।

সিএমএলের চিকিৎসা আবিষ্কার ক্যানসার চিকিৎসায় একটি যুগান্তকারী ঘটনা। ইমাটিনিব নামক একধরনের ওষুধ BCR-ABL1 ফিউশন জিনকে নিষ্ক্রিয় করে রাখতে পারে। বিশেষ জিনকে লক্ষ্য করে কাজ করতে পারে বলে একে বলা হয় টারগেটেড থেরাপি। একসময় সিএমএলের চিকিৎসায় বোনম্যারো ট্রান্সপ্ল্যান্ট ছিল মূল চিকিৎসা। টারগেটেড থেরাপি আসার পর বোনম্যারো ট্রান্সপ্ল্যান্টেশনের প্রয়োজন প্রায় পড়ে না বললেই চলে। ইমাটিনিবের পর একই গোত্রের আরও কিছু ওষুধ সহজলভ্য হয়েছে যেমন ডাসাটিনিব, নিলোটিনিব, পোনাটিনিব ইত্যাদি।

সিএমএলের চিকিৎসার পুরোটাই বাংলাদেশে সম্ভব। মলিকুলার পরীক্ষাও বাংলাদেশেই করা হচ্ছে। তবে ওষুধগুলোর দাম এখনো সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে হওয়ায় কাঙ্ক্ষিত মাত্রায় প্রকৃত সুফল পাওয়া যাচ্ছে না।

ডা. গুলজার হোসেন, রক্তরোগ বিশেষজ্ঞ, জাতীয় ক্যানসার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল, ঢাকা

স্বাস্থ্য থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন