বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ফল খাওয়ার উপকারিতা

● ফলে বিদ্যামান আঁশ রক্তের কোলেস্টেরল, টাইপ টু ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখে।

● উচ্চ রক্তচাপ, স্ট্রোক, হৃদ্‌রোগের ঝুঁকি কমায়।

● ফলের আঁশ ধীরে ধীরে হজম হওয়ায় দীর্ঘ সময় পেটে থাকে। ফলে ক্ষুধা কম লাগে, ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকে।

● কোষ্ঠকাঠিন্য কমায়।

● রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।

ফল রস করে খেলে যা হয়

● ফলের রস বানানোর সময় ফল থেকে উপকারী আঁশ সরিয়ে ফেলা হয়। এই পদ্ধতিতে প্রায় ৯০ শতাংশ অদ্রবণীয় আঁশ ফেলে দেওয়া হয়, কেবল কিছু দ্রবণীয় আঁশ রসে থেকে যায়। যার কারণে ফল খেলে যে উপকার পাওয়া যায়, রসে তা পাওয়া যায় না। এ ছাড়া ফলের আঁশ আমাদের অন্ত্রের উপকারী ব্যাকটেরিয়ার মাধ্যমে হজম হয়ে শর্ট চেইন ফ্যাটি অ্যাসিড তৈরি করে, যা খারাপ ব্যাকটেরিয়া জন্মাতে বাধা দেয় এবং খনিজ লবণ শোষণে সাহায্য করে। ফলের রস খেলে শরীরে শর্ট চেইন ফ্যাটি অ্যাসিড তৈরি হয় না।

● ফলের রস বানানোর সময় শুধু আঁশই নষ্ট হয় না, আঁশের সঙ্গে যুক্ত অ্যান্টি–অক্সিডেন্টসহ সব পুষ্টি উপাদানও নষ্ট হয়। এ কারণে পুষ্টিমান কমে যায়। অ্যান্টি–অক্সিডেন্ট না থাকায় ফলের রস রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে না।

● রস করার সময় ফলের আঁশের সঙ্গে যুক্ত পলিফেনল নামের ফাইটোনিউট্রিয়েন্ট নষ্ট হয়ে যায়। পলিফেনল মানবদেহে মস্তিষ্কের কোষের জন্য খুব জরুরি। এ ছাড়া পলিফেনলস রক্তনালিকে নমনীয় করে। এতে রক্তপ্রবাহ স্বাভাবিক ও রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে।

● ফলের রস করার সময় এতে পানি যোগ করা হয় এবং স্বাদ বাড়াতে মাঝেমধ্যে চিনিও দেওয়া হয়। চিনি যোগ করার কারণে ক্যালরি অতিরিক্ত বেড়ে যায়। ফলে ওজন ও ব্লাড সুগার খুব দ্রুত বাড়ে। ফলের রস খেতে চাইলে পাল্পসহ স্মুদি করে খাওয়াই ভালো। তবে এতে চিনি দেওয়া যাবে না।

স্বাস্থ্য থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন