বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

কারণগুলো জানতে হবে

■ কিছু কিছু ভাইরাসের সংক্রমণের ফলে যকৃৎ বড় হতে পারে। যেমন হেপাটাইটিস এ, বি, সি, ডি এবং ই। এ ছাড়া শরীরে হারপিস সিম্পলেকস, ইবস্টেন বার ও সাইটোমেগালো ভাইরাসের সংক্রমণ হলেও যকৃৎ বড় হয়।

■ ব্যাকটেরিয়াজনিত সংক্রমণ যেমন সালমোনেলা টাইফি, মাইকোব্যাকটেরিয়াম টিউবারকিউলোসিস প্রভৃতির কারণে যকৃৎ বড় হতে পারে। এ ছাড়া কিছু কিছু ছত্রাকের সংক্রমণেও যকৃৎ বড় হয়ে থাকতে পারে।

■ শরীরের বিপাকপ্রক্রিয়ায় জটিলতা দেখা দিলে অনেক সময় যকৃৎ বড় হয়ে যায়। যকৃতে অতিরিক্ত চর্বি জমার পরিপ্রেক্ষিতে চিকিৎসায় বিলম্ব হলে ক্যানসার হতে পারে। তখন যকৃৎ বড় হয়ে যায়।

■ শরীরের অন্যান্য জায়গার টিউমার কিংবা ক্যানসার যকৃতে ছড়িয়ে পড়তে পারে। তখন যকৃৎ বড় হয়ে থাকতে পারে। অনেক সময় যকৃতেও সিস্ট, টিউমার কিংবা ক্যানসার হতে পারে। ওই সময় যকৃৎ স্বাভাবিকের চেয়ে বড় হয়।

■ ফুসফুস, হৃৎপিণ্ড ও রক্তনালির কিছু রোগের কারণেও অতিরিক্ত রক্ত জমে যকৃৎ বড় হয়ে থাকতে পারে। এ ছাড়া দীর্ঘদিন ধরে মদ্যপানের অভ্যাস যকৃৎ বড় হওয়ার অন্যতম কারণ।

যেসব উপসর্গ দেখা যায়

অনেক সময় যকৃৎ বড় হয়ে গেলেও মানুষের শরীরে তেমন কোনো উপসর্গ দেখা যায় না। এর ফলে ওই ব্যক্তি বুঝতে পারেন না তিনি যকৃতের সমস্যায় ভুগছেন। শুধু পরীক্ষার মাধ্যমে এই সমস্যা শনাক্ত হয়। তবে পেটের ডান দিকে ওপরের অংশে বাড়তি চাপ লাগা, ব্যথা হওয়া কিংবা চাকা অনুভব করা—প্রাথমিক অবস্থায় এমন উপসর্গ থাকতে পারে। অনেক সময় যকৃৎ বড় হয়ে গিয়ে জন্ডিস হতে
পারে। এই কারণে চোখসহ পুরো শরীর হলুদাভ হওয়া, রক্ত বমি ও রক্ত পায়খানা হওয়া, চুলকানি দেখা দেওয়া, পেট ও পায়ে পানি আসার মতো উপসর্গ থাকতে পারে।

করণীয় কী

শুরুতেই যকৃৎ বড় হওয়ার প্রকৃত কারণ শনাক্ত করতে হবে। এরপর শুরু করতে হবে চিকিৎসা। এ জন্য পরিপাকতন্ত্র ও যকৃৎ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ
নিতে হবে।

আগামীকাল পড়ুন: ঘুমের ব্যায়াম

সুস্থতা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন