বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

টিকার প্রস্তুতি

টিকার নিবন্ধনের জন্য শিশুর জন্মনিবন্ধন থাকা প্রয়োজন। নির্দিষ্ট দিনে নিবন্ধনের প্রিন্টকপিসহ উপস্থিত হতে হবে। শিশুকে টিকা দেওয়ার পরপরই বাসায় চলে যাবেন না। কমপক্ষে এক ঘণ্টা টিকাকেন্দ্রে বিশ্রাম নেওয়ার সুযোগ দিতে হবে তাকে। শিশুকে টিকা দেওয়ার পর অযথা ঘোরাঘুরি না করে তাকে বাসায় নিয়ে যান।

টিকা নিতে পারবে যেসব শিশু

তীব্র অসুস্থতা না থাকলে ১২ বছরের বেশি বয়সী সব শিশুই করোনার টিকা নিতে পারবে। গুরুতর অসুস্থ, টিকা দেওয়ার সময় জ্বর, কাশি বা অন্য অসুস্থতা থাকলে ওই সময় টিকা না দেওয়াই ভালো। পরে সুস্থ হয়ে টিকা নিতে পারবে। কোনো শিশুর কেমোথেরাপি চললে বা অন্য কোনো রোগে স্টেরয়েড বা রোগ প্রতিরোধক্ষমতা কমিয়ে দেয়, এমন ওষুধ চললে টিকা নেওয়া উচিত নয়। এ ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

টিকার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

সব টিকারই কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া থাকতে পারে। শিশুকে ছোটবেলায় টিকা দেওয়ার পর যেমন জ্বর বা সামান্য অসুবিধা হয়েছে, করোনা টিকায়ও তেমন সামান্য অসুবিধা হতে পারে। এ ক্ষেত্রে জ্বর ছাড়াও টিকার স্থানে সামান্য ব্যথা হতে পারে, জায়গাটা ফুলে যেতে পারে, সামান্য চুলকানিও হতে পারে কারও কারও। মাথাব্যথা, বমি বমি ভাব, হাত–পা ব্যথা ইত্যাদি সমস্যাও হতে পারে। এগুলোতে সাধারণত কোনো ওষুধ লাগে না। দুই–তিন দিনের মধ্যে নিজে থেকে এসব ভালো হয়ে যায়। জ্বর হলে প্যারাসিটামল, চুলকানি হলে চিকিৎসকের পরামর্শমতো ওষুধ খেতে হতে পারে।

সুস্থতা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন