বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

কোনো কোনো শিশুর আবার শুরুতে সবই স্বাভাবিক থাকে, কিন্তু বয়স কিছুটা বাড়ার পর বিকাশ যেন থমকে যায়। কিশোর বয়সে সমস্যাগুলো স্পষ্ট হয়। এসব সমস্যার মধ্যে শারীরিক বৃদ্ধি বাধাগ্রস্ত হওয়া, মনোযোগের অভাব, কম মেধার হওয়া ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য। বেশি ঘুম, শীত লাগা, শরীরে ব্যথা বা ম্যাজ–ম্যাজ, কোষ্ঠকাঠিন্য, শুষ্ক ত্বক ইত্যাদি সমস্যাও থাকতে পারে। মেয়েদের ক্ষেত্রে অনেক সময় মাসিক শুরু হতে বিলম্ব হয় কিংবা আগেভাগেই হয়ে যায়। কারও গলার সামনে থাইরয়েড ফোলা থাকতে পারে।

মায়ের থাইরয়েডের সমস্যা থাকলে আর সেটা ঠিকমতো চিকিৎসা না করালে সন্তানেরও এ সমস্যা হতে পারে। আবার জন্মগতভাবে শিশুর থাইরয়েড গ্রন্থি অসম্পূর্ণ থাকতে পারে বা কম কার্যকর হতে পারে। এর কারণে শিশুদের অটোইমিউন ডিজিজও হতে পারে। যেসব শিশুর টাইপ–১ ডায়াবেটিস, সিলিয়াক ডিজিজ বা অন্যান্য ইমিউন রোগ আছে, তাদের ঝুঁকি বেশি। কাজেই অন্তঃসত্ত্বার থাইরয়েড পরীক্ষা করা উচিত। মায়ের সমস্যা থাকলে নবজাতককে জন্মের সাত দিনের মাথায় পরীক্ষা করতে হবে।

মনে রাখতে হবে, শিশুর থাইরয়েডের সমস্যা সঠিক সময়ে শনাক্ত হলে আর চিকিৎসা চালিয়ে গেলে, সে অন্য শিশুদের মতোই সুস্থ স্বাভাবিক জীবন যাপন করতে পারবে।

স্বাস্থ্য থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন