বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

উপকারিতা

মধু প্রাকৃতিকভাবেই ব্যথানাশক ও রোগজীবাণু প্রতিরোধক হিসেবে কাজ করে। শীতকালে বেশির ভাগ মানুষ সর্দিকাশিসহ শ্বাস-প্রশ্বাসজনিত সমস্যায় ভোগেন। গলাব্যথা, খুসখুসে কাশি, সর্দি, শ্বাসকষ্টসহ ঋতু পরিবর্তনজনিত বিভিন্ন শারীরিক সমস্যায় মধু খুব ভালো সমাধান দিয়ে থাকে।

  • রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়াতে মধুর জুড়ি নেই। রোজ সকালে ১ টেবিল চামচ মধু ২ টেবিল চামচ লেবুর রস এক গ্লাস কুসুম গরম পানিতে খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুললে রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়ে।

  • শ্লেষ্মাজনিত কাশি বা কফের সমস্যা যাঁদের রয়েছে, তাঁরা নিয়মিত তুলসীর রসের সঙ্গে মধু মিশিয়ে খেলে জমাট বাঁধা কফ পরিষ্কার হয়ে যায়।

  • খুসখুসে কাশির সমস্যায় আদাকুচি পানিতে ফুটিয়ে রস তৈরি করে তার সঙ্গে এক বা দুই চামচ মধু মিশিয়ে খেলে তা অনেকটাই কমে যাবে।

  • হঠাৎ করে তাপমাত্রার অস্থিতিশীলতার কারণে শীতের শুরুতে অনেকেরই গলা বসে যায়, গলাব্যথা হয়। দিনে দুবার বিভিন্ন মসলা (আদা, এলাচি, দারুচিনি, লবঙ্গ, গোলমরিচ) পানিতে ফুটিয়ে মধু মিশিয়ে খেলে গলাব্যথা সেরে যায়।

  • শীতকালে অনেকেরই শ্বাসকষ্ট বেড়ে যায়। নিয়মিত রং চায়ের সঙ্গে কিংবা কুসুম গরম পানিতে মধু মিশিয়ে খেলে উপকার পাবেন।

  • শীতে ত্বক শুষ্ক, রুক্ষ হয়ে যায়। এই শুষ্ক ত্বককে মসৃণ টান টান রাখতে চাইলে অ্যালোভেরার রসের সঙ্গে মধু মিশিয়ে খেলে ভালো ফল পাবেন।

  • শীতে অনেকের শরীরে বিভিন্ন ব্যথা বেড়ে যায়। এ জন্য প্রতিদিন মধু খেতে পারেন।

উম্মে সালমা তামান্না, পুষ্টি বিশেষজ্ঞ, ইবনে সিনা কনসালটেশন সেন্টার, বাড্ডা

সুস্থতা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন