ভালো থাকুন

শুধু ভিটামিন সি নয়, সংক্রমণ ঠেকাতে স্বাস্থ্যবিধিও জরুরি

বিজ্ঞাপন
default-image

প্রচণ্ড গরম আর মৌসুম পরিবর্তনের সময় ফ্লু–জাতীয় ভাইরাসের সংক্রমণে সর্দি–কাশি–জ্বরের প্রকোপ বাড়ে। এর সঙ্গে এবার যোগ হয়েছে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ। এ কারণে এবার অনেকেই বেশি করে ভিটামিন সি–জাতীয় ফল (যেমন লেবু, কমলালেবু) খেতে শুরু করেছেন। প্রচলিত একটি ধারণা হলো, ফ্লু–জাতীয় ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকানোর ক্ষেত্রে ভিটামিন সি-এর ভূমিকা রয়েছে। ধারণাটি পুরোপুরি সঠিক নয়। তবে সংক্রমিত হওয়ার পর তীব্রতা কম রাখতে এটি সাহায্য করে। দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠার ক্ষেত্রেও এই ভিটামিনের ভূমিকা রয়েছে।

মৌসুম পরিবর্তনের সময় সাধারণ সর্দি-কাশির জন্য প্রায় ২০০ রকমের ভাইরাসকে দায়ী করা হয়। সর্দি-কাশি হলে জ্বর থাকতেও পারে, আবার না-ও পারে। তবে শরীর দুর্বল হয়ে পড়তে পারে, ম্যাজম্যাজ করতে পারে, হাঁচি, সর্দি, মাথাব্যথা, গলাব্যথাসহ নানা রকম উপসর্গ থাকতে পারে। এসবে শিশু ও প্রবীণদের কষ্ট বেশি হয়।

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ভাইরাসজনিত অসুখ হওয়ায় এমন সর্দি-কাশিতে অ্যান্টিবায়োটিক কাজ করে না। এরপরও সর্দি-কাশির ওষুধের জন্য অনেকে অস্থির হয়ে পড়েন। এ ধরনের সমস্যায় সচরাচর প্যারাসিটামল, অ্যান্টিহিস্টামিন ইত্যাদি ওষুধ ব্যবহার করা হয়। কাশির জন্য সিরাপজাতীয় ওষুধও খান অনেকে, যা আসলে তেমন উপকার করে না। অনেকে এ সময় ভিটামিন সি বড়িও খান। তবে সাধারণ সর্দি-কাশি নিয়ে বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, এগুলো প্রতিরোধে ভিটামিন সি তেমন ইতিবাচক ফল দেয় না।

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

কাজেই সর্দি–কাশি ঠেকাতে ভিটামিন সি খাওয়ার জন্য হুমড়ি খেয়ে পড়ার তেমন প্রয়োজন নেই। তবে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সারা বছরই সমহারে এই ভিটামিন–সমৃদ্ধ ফল খাওয়া উচিত। আর সর্দি–কাশিতে আক্রান্ত হলে প্রচুর পানি পান করুন, পুষ্টিকর খাবার খান এবং বিশ্রাম নিন। এ ছাড়া পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখুন, মাস্ক ব্যবহার করুন, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখুন এবং বারবার সাবান–পানি দিয়ে হাত পরিষ্কার করুন। এসব মেনে চললেই উপকার বেশি পাওয়া যাবে।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য পড়ুন 0
বিজ্ঞাপন