default-image

দিনে দিনে ফুসফুস ও শ্বাসযন্ত্রের বিভিন্ন রোগের প্রাদুর্ভাব বাড়ছে। এ রকমই একটি রোগ হলো যক্ষ্মা। ফুসফুসের নিউমোনিয়াও একটি প্রাণঘাতী সমস্যা। বিশেষ করে শিশু ও বৃদ্ধদের জন্য। হাঁপানি, ব্রঙ্কাইটিসের রোগীও বাড়ছে। এ ছাড়া রয়েছে নানা ধরনের ফ্লুর প্রাদুর্ভাব। করোনাভাইরাসও শ্বাসতন্ত্রেই সংক্রমণ ঘটায়। এই পরিস্থিতির মধ্যেই আজ ২৫ সেপ্টেম্বর পালিত হচ্ছে বিশ্ব ফুসফুস দিবস। এই দিবসের এবারের প্রতিপাদ্য হলো শ্বাসতন্তের যত সংক্রমণ।

ফুসফুসের বেশির ভাগ সংক্রমণ কাশি, হাঁচি, মুখ নিঃসৃত ড্রপলেটের মাধ্যমে ছড়ায়। তবে একটু সচেতন হলেই এসব সংক্রমণ থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।

বিজ্ঞাপন

সচেতনতা

  • ঘরের বাইরে বের হলে মাস্ক পরুন। এতে যিনি মাস্ক পরছেন, তিনিও নিরাপদ থাকবেন এবং তাঁর কাছাকাছি যাঁরা আছেন, তাঁরাও সুরক্ষা পাবেন।

  • হাঁচি বা কাশির সময় হাতের তালু দিয়ে নয়, কনুই দিয়ে নাক–মুখ ঢাকুন।

  • বারবার সাবানপানি দিয়ে হাত ধোয়ার অভ্যাস করুন।

  • অন্যের সঙ্গে হাত মেলানো বা হ্যান্ডশেক এড়িয়ে চলুন। হ্যান্ডশেকে এক মানুষের হাত থেকে অন্য মানুষের হাতে রোগ ছড়ায়।

  • যেখানে–সেখানে কফ-থুতু ফেলা বন্ধ করুন। হাঁচি–কাশির জন্য টিস্যু পেপার বা রুমাল ব্যবহার করুন। ব্যবহারের পর টিস্যু বদ্ধ ডাস্টবিনে ফেলুন। রুমাল ধুয়ে ফেলুন। ব্যবহার করা মাস্কও যত্রতত্র না ফেলে ডাস্টবিনে ফেলুন।

  • নাক, মুখ ও চোখ স্পর্শ করা এড়িয়ে চলুন।

  • সিঁড়ির হাতল ধরে ওঠা-নামা করবেন না। যেখানে–সেখানে স্পর্শ করবেন না।

  • খোলামেলা আবহাওয়ায় থাকার চেষ্টা করুন। ঘরের ভেতর প্রচুর আলো-বাতাসের প্রবাহের ব্যবস্থা করুন।

  • খাওয়ার আগে সাবান দিয়ে হাত ধুয়ে নিন। সাবান না থাকলে হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করতে পারেন।

  • যক্ষ্মা, করোনা ইত্যাদির সংক্রমণ প্রতিরোধে শরীরের রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়াতে হবে। তাই দীর্ঘমেয়াদি রোগ, যেমন ডায়াবেটিস, হৃদ্‌রোগ, কিডনির সমস্যার যথাযথ চিকিৎসা নিন। পুষ্টিকর খাবার খান। স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ বজায় রাখুন।

  • ধূমপান বর্জন করুন। ধূমপায়ীদের ফুসফুসের শিরা ও নালিতে অতি দ্রুত বর্জ জমে যায়। এ কারণে বাতাসের প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হয়।

  • পরিবেশ রক্ষা করতে হবে। প্রচুর পরিমাণে গাছ লাগাতে হবে। বায়ুদূষণের বিরুদ্ধে সচেতন হতে হবে।

মন্তব্য পড়ুন 0