বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

পুষ্টিবিজ্ঞানীরা বিষণ্নতা দূরীকরণে কিছু খাবারের পরামর্শ দিয়ে থাকেন। শস্যজাতীয় খাবার, আখরোট, তেলসমৃদ্ধ মাছ, মাশরুম, আপেল, কলা, ননিহীন দুগ্ধজাতীয় খাবার। গ্রিন টিতে রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা কেবল বিষণ্নতাই নয়, মানসিক চাপও কমায়। হলুদ দিয়ে রান্না করা তরকারিও উপকারী। হলুদে এমন কিছু উপাদান রয়েছে, যা প্রদাহরোধী ও মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটায়। ডার্ক চকলেটে থাকা পলিফেনল মানসিক অবস্থার উন্নতি ঘটায়। পালংশাকে উচ্চমাত্রায় ম্যাগনেসিয়াম থাকে, যা ক্লান্তি ও বিষণ্নতা দূর করে। এ ছাড়া এই শাক আয়রনের চমৎকার উৎস। কাজেই রক্তস্বল্পতা কমিয়ে শরীর ও মন চাঙা করতে পালংশাকের জুড়ি নেই। টমেটোর ফলিক অ্যাসিড ওজন কমানোর পাশাপাশি মানসিক স্বাস্থ্যেরও উন্নতি ঘটায়।

সঠিক ওজন বজায় রাখার জন্য খাদ্যতালিকায় কার্বোহাইড্রেটযুক্ত খাবার যেমন ভাত, রুটি, আলুর পরিমাণ কমাতে হবে। লাল চাল, লাল আটা, ওটস খাদ্যতালিকায় যুক্ত করতে হবে। সবুজ শাকসবজি বেশি খেতে হবে। ট্রান্সফ্যাট যেমন কেক, পেস্ট্রি, গরু-খাসির মাংস কম খেতে হবে। আঁশযুক্ত খাবার বেশি খেতে হবে। দৈনিক আড়াই থেকে তিন লিটার পানি পান এবং আট ঘণ্টা ঘুমাতে হবে। নিয়মিত ব্যায়াম করতে হবে। হাঁটা সহজ ও কার্যকর একটি ব্যয়াম।

আগামীকাল পড়ুন: শিশুর হিমোফিলিয়া

সুস্থতা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন