বিজ্ঞাপন

জীবাণুনাশক ব্যবহার

ঈদের দিনে অতিথি ঘরে আসার আগে পুরো ঘর জীবাণুনাশক দিয়ে ভালোভাবে পরিষ্কার করে নিতে হবে। এ ছাড়া মেহমান এলে ঘরে প্রবেশের আগেই তাঁদের হাত-পা ও সঙ্গে আনা ব্যাগ জীবাণুমুক্ত করতে হবে। তবে সবচেয়ে ভালো হয় হাত-পা ২০ সেকেন্ড ধরে সাবান দিয়ে ভালোভাবে ধুয়ে ফেলা।

default-image

অন্য ঘরে না যাওয়া

ঈদ মানে আনন্দ করে আড্ডা ও খাওয়াদাওয়া। কিন্তু এবারের ঈদ তার ব্যতিক্রম। অতিথি ঘরে এলেও এবার থাকতে হবে একটি ঘরে। সারা ঘর না ঘুরে বসার ঘরে থাকাই নিরাপদ। এতে অন্য ঘরগুলো সুরক্ষিত থাকবে, বলেন স্বাস্থ্যবিশেষজ্ঞ সুতপা দত্ত।

খাওয়ার সময় দূরত্ব ও মাস্ক

অতিথি আপ্যায়নের সময়ে খুব কাছাকাছি বসে খাওয়া যাবে না। একটি নির্দিষ্ট দূরত্ব অবশ্যই বজায় রাখতে হবে। তবে সবচেয়ে জরুরি হলো খাবার পরিবেশনকারী মাস্ক পরা। এক পক্ষ মাস্ক পরা থাকলেও পাওয়া যায় অনেকটা সুরক্ষা।

ভিন্ন প্লেট-গ্লাস ব্যবহার ও ধুয়ে ফেলা

default-image

অতিথিদের সবাইকেই ভিন্ন ভিন্ন পাত্রে খাবার দিতে হবে। একজনের ব্যবহার করা পাত্র ধুয়ে অন্যজনকে দেওয়া ঠিক নয়। যতবারই খাবার দেওয়া হোক না কেন, একজনকে তার ব্যবহার করা পাত্রেই দেওয়া উচিত। এ ছাড়া খাবার খাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই সাবান দিয়ে কিছু সময় ভিজিয়ে রেখে বাসনপত্র ধুয়ে ফেলতে হবে।

টেবিল ও আসবাব জীবাণুমুক্ত করা

default-image

অতিথি ঘরে আসার আগে ও পরে জীবাণুনাশক দিয়ে টেবিল ও চেয়ার পরিষ্কার করতে হবে। সবচেয়ে ভালো হয় চেয়ারে ও বসার ঘরের সোফায় কাভার ব্যবহার করা। এতে অতিথি চলে যাওয়ার পর কাভারগুলো সাবান দিয়ে ধুয়ে ফেলা যাবে সহজেই।

শিশুদের জন্য

default-image

করোনায় শিশুদের সংক্রমণের হার কম হলেও এখন শিশুরাও ঝুঁকিতে রয়েছে। তাই শিশুদের নিয়ে বের হলে তাদেরও মাস্ক ব্যবহার বাধ্যতামূলক। দুই বছরের বেশি বয়সী শিশুরা মাস্ক ব্যবহার করতে পারবে। শিশুর পরার জন্য আলাদা এক সেট কাপড় নিয়ে নিতে পারেন। ঘরে পৌঁছানোর পর সঙ্গে সঙ্গেই ছোট শিশুর কাপড় পরিবর্তন করে অন্য নতুন কাপড় পরিয়ে দিলে ভালো।

স্বাস্থ্য থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন