বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

কেন ধোব হাত?

default-image

আবারও বেড়েছে করোনার প্রভাব। যেকোনো সময়ের চেয়ে এখন করোনা সর্বোচ্চ ভয়ংকর রূপে হানা দিয়েছে। প্রতিদিন মারা যাচ্ছে শত মানুষ। সঠিক নিয়মে হাত ধোয়ার অভ্যাস করোনা থেকে নিরাপত্তা দিতে পারে। সবার তো হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহারের সামর্থ্যও নেই। এ জন্য কঠোরভাবে মানতে হবে স্বাস্থ্যবিধি। বিশেষ করে হাত ধুতে হবে নিয়মিত। ফেসবুক, ইনস্টাগ্রামেও তারকারা নিয়মিত হাত ধোয়ার সঠিক পদ্ধতি দেখাচ্ছেন। ভালো করে সাবান ও পানি দিয়ে হাত ধোয়ার মাধ্যমে ৩০ থেকে ৪৮ ভাগ পর্যন্ত বিভিন্ন সংক্রামক রোগ কমানো সম্ভব।

হাত ধুতে কি সাবান লাগবেই?

default-image

লকডাউন চললেও নানা আবশ্যক কাজে বাইরে বের হতেই হয়। তখনো বাইরে থেকে এসে ভালোভাবে সাবান বা হ্যান্ডওয়াশ দিয়ে হাত ধুতে হবে। হাত কি সাবান বা হ্যান্ডওয়াশ আর পানি দিয়েই ধুতে হবে? বাংলাদেশের মতো দেশগুলোয় বালু, মাটি কিংবা ছাই দিয়ে হাত ধোয়ার অভ্যাস রয়েছে, সে ক্ষেত্রে কি জীবাণু ধ্বংস হয়? উত্তর হলো, ক্ষারযুক্ত কোনো কিছু ছাড়া হাত ধুলে হাত হয়তো পরিষ্কার দেখাবে, কিন্তু হাতের জীবাণু ধ্বংস হবে না। হাতের তালু, নখ অথবা আঙুলের রেখায় লেগে থাকা অজস্র জীবাণু রয়েই যাবে। এর কারণ হলো, ভাইরাসের উপরিভাগ চর্বির আবরণে ঢাকা থাকে। চর্বি যখন ক্ষারের সংস্পর্শে আসে, তখন চর্বি ভেঙে টুকরা টুকরা হয়ে যায়। সাবানে ক্ষার যত বেশি থাকে, ভাইরাস তত দ্রুত মরে। সে জন্য কাপড় কাচার সাবান হাত ধোয়ার জন্য বেশি ভালো।

হাত ধোয়ার নিয়ম

default-image

পাঁচ ধাপে হাত ধুতে হবে। প্রথমে পরিষ্কার পানিতে হাত ভিজিয়ে নিতে হবে। তারপর হাতের পিঠ, তালু ও আঙুলে পরিমাণমতো সাবান লাগাতে হবে। এরপর অন্তত ২০ সেকেন্ড ধরে হাতে সাবান ঘষতে হবে। হাতে কোনো আংটি বা অন্য গয়না থাকলে তার ওপর-নিচ ভালো করে ঘষে নিতে হবে। দুই হাত একে অপরের সঙ্গে ভালো করে ঘষতে হবে। চতুর্থ ধাপে পরিষ্কার পানিতে হাত ধুয়ে নিতে হবে। আর সবশেষে হাত ধোয়া শেষ হলে পরিষ্কার, শুকনা কাপড় বা টিস্যু দিয়ে ভালো করে মুছে নিতে হবে।
করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে হাত ধোয়া একটি কার্যকর উপায়। এ জন্য হাত ধোয়ার দায়িত্ব নিজেকেই নিতে হবে। নিজ দায়িত্বে করতে হবে হাত ধোয়ার চর্চা। পাশাপাশি পরিবার-পরিজন, প্রিয়জন, বন্ধুবান্ধবকেও এ ব্যাপারে উৎসাহিত করতে হবে সামাজিক দায়িত্ব থেকেই।

স্বাস্থ্য থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন