বিজ্ঞাপন

কাদের বেশি হয়

● বৃদ্ধ ও শিশুদের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণক্ষমতা কম থাকে; তাই তাদের হিট স্ট্রোক বেশি হয়।

● যারা প্রচণ্ড গরমে দীর্ঘ সময় শারীরিক পরিশ্রম করে।

● কিছু ওষুধ নিয়মিত সেবন (প্রস্রাব বেশি হওয়ার ওষুধ অথবা মানসিক রোগের ওষুধ)।

হিট স্ট্রোক হচ্ছে বুঝবেন যেভাবে

● মাথা ঝিমঝিম করা

● অসংলগ্ন আচরণ

● নিশ্বাস দ্রুত হওয়া

● রক্তচাপ কমে যাওয়া

● ঘাম বন্ধ হয়ে যাওয়া ও ত্বক শুষ্ক হয়ে পড়া

● প্রস্রাবের পরিমাণ কমে যাওয়া

● ত্বক শুষ্ক ও লালচে হয়ে যাওয়া

● রোগী অজ্ঞানও হয়ে যেতে পারে

চিকিৎসা

কারও হিট স্ট্রোক হলে দ্রুত যেসব ব্যবস্থা নিতে হবে। এসব ব্যবস্থার মধ্যে রয়েছে:

■ রোগীকে অপেক্ষাকৃত শীতল কোনো স্থানে নিয়ে যেতে হবে

■ ভেজা কাপড় দিয়ে শরীর মুছে দিন; ফ্যান ছেড়ে দিন বা বাতাস করুন

■ প্রচুর পানি বা খাবার স্যালাইন পান করতে দিন

■ কাঁধে-বগলে অথবা কুঁচকিতে বরফ দিন

■ দ্রুত হাসপাতালে নেওয়ার ব্যবস্থা করুন।

প্রতিরোধের উপায়

গরমের দিনে কিছু নিয়ম মেনে চললে হিট স্ট্রোক থেকে বাঁচা যায়:

● ঢিলেঢালা পোশাক পরুন, হালকা রঙের সুতির কাপড় হলে ভালো

● যথাসম্ভব ঘরের ভেতরে বা ছায়াযুক্ত স্থানে থাকুন

● রোদে বাইরে যাওয়ার সময় টুপি, ক্যাপ অথবা ছাতা ব্যবহার করুন

● প্রচুর পরিমাণে পানি বা খাবার স্যালাইন অথবা ফলের রস পান করতে হবে

● রোদে দীর্ঘ সময় ঘোরাঘুরি করবেন না।

● গ্রীষ্মকালে তীব্র শারীরিক পরিশ্রম এড়িয়ে চলুন।

দ্রুততম সময়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা ও হাসপাতালে ভর্তি করে সঠিক চিকিৎসা নেওয়া গেলে বেশির ভাগ হিট স্ট্রোকের রোগীই সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে ওঠে।

আগামীকাল পড়ুন: ঘাড়ব্যথার প্রতিকার

স্বাস্থ্য থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন